
তারাতলার ওই গোডাউনের যিনি আর্কিটেক্ট ছিলেন তাঁকে এবং তার পাশাপাশি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্ট্রাকচারাল রিভিউয়ার যাঁরা ছিলেন তাঁদেরকে কলকাতা পুরসভা একটি নোটিস দেয়। সেই নোটিসে এভাবে বিল্ডিং ভেঙে পড়ার কারণ জানাতে বলা হয়। পরবর্তী হিয়ারিং হয় এবং সেখানে কলকাতা পুরসভার তরফে বলা হয়, কলকাতা পুরসভার তালিকাভুক্ত থাকা ওই আর্কিটেক্ট, স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার, স্ট্রাকচারাল রিভিউয়ারদের নাম বাদ দেওয়া হল। এর পাশাপাশি বলা হয়েছে, এই ব্যক্তিদের লাইসেন্সও বাতিল করা হচ্ছে। এতদিন এই আর্কিটেক্ট, স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার, স্ট্রাকচারাল রিভিউয়াররা কলকাতা পুরসভার তালিকাভুক্ত ছিলেন। কিন্তু এখন আর সেখানে তাঁদের নাম নেই। ফলে এবার আর কলকাতা পুরসভার আওতায় তাঁরা কাজ করতে পারবেন না, এমনটাই বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি তাঁদের লাইসেন্সও বাতিল করা হয়েছে। তারাতলার ঘটনার পর কলকাতা পুরসভা প্রথমে নোটিস দেয়। তারপর হিয়ারিংয়ে বক্তব্য শোনা হয়। এরপর এই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। কলকাতায় কার্যত ব্ল্যাকলিস্ট হলেন এই ব্যক্তিরা।
তারতলায় বিপর্যয়ের নেপথ্যে বেশ কয়েকটি গাফিলতি রয়েছে বলে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে তুলে ধরেছিল কলকাতা পুরসভা
১. পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের দাবি, পোক্ত ইস্পাতের কাঠামোর ওপর গোডাউনটি গড়ে না তোলায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে সেটি।
২. রি-ইনফোর্সড কংক্রিট প্রয়োজন অনুযায়ী যথেষ্ট পুরু ছিল না।
৩. বিল্ডিং প্ল্যানের নকশা মেনে রাখা হয়নি স্টিল কলামগুলোর মাঝের দূরত্ব। একটি কলামের সঙ্গে অন্যটির তফাত তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল।
৪. ইস্পাতের কাঠামোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মাপ মেনে না চলায়, সেটি ভার রাখতে পারেনি এবং কার্যত ধস নেমেছে।
(Feed Source: abplive.com)
