লড়াকু এক মায়ের ইতিহাস তৈরি কমনওয়েলথের মঞ্চে, কে এই সীমা কালিরামনা?

লড়াকু এক মায়ের ইতিহাস তৈরি কমনওয়েলথের মঞ্চে, কে এই সীমা কালিরামনা?

 

গ্লাসগো: গর্ভাবস্থা পরবর্তী সময়ে আর্থ্রারাইটিসের সমস্যায় ভুগছিলেন। নিজেকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তুলেছিলেন তখন থেকেই। ছেলে রুদ্রর তখন মাত্র ১১ মাস বয়স। ফের ট্র্যাকে ফিরে আসেন। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এই গল্প এক মায়ের লড়াইয়ের। যিনি আবার গবেষণাও করছেন ফিজিক্যাল এডুকেশন নিয়ে। হরিয়ানা মেয়ে সীমা কালিরামনা (Seema Kaliramna)। যিনি দেশের হয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন ডিসকাস থ্রোয়ে গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমস(Commonwealth Games 2026) থেকে।

হরিয়ানার ভিওয়ানি চৌধুরী বংশী লাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করা সীমা এখন গোটা দেশের নজরে। কমনওয়েলথ গেমসে ৫৮.৬৫ মিটার দূরত্বে ডিসকাস থ্রো করে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন তিনি। গত বছরই জাতীয় গেমসে সোনা জিতেছিলেন। এবার বিশ্বমঞ্চেও নজির গড়লেন হরিয়ানার এক মা। ছেলের জন্মের পর থেকে সন্তানের লালন পালন ও নিজের পড়াশুনো চালিয়ে গিয়েও যে বিশ্বমঞ্চে পদক জেতা যায় দেশের হয়ে, তা এক উদারণ তৈরি করেছেন সীমা। তিনি বলেছিলেন, ‘এটা আমার কাছে একটা চ্যালেঞ্জিং বিষয় ছিল। কিন্তু আমি ফিরে আসতে চেয়েছিলাম। ছেলের জন্মের পর তো ট্রাকে ফিরে আসি যখন, তখন ডিসকাস ঠিকভাবে ছুড়তেও পারছিলাম না একটা সময়। কিন্তু এই সময়টা আমাকে আমার স্বামী রাভিন্দর দারুণভাবে সাহায্য করেছে। ও আমাকে খেলায় ফিরে আসার জন্য সবসময় মোটিভেশন দিত। কীভাবে নিজের পারফরম্য়ান্স আরও ভাল করা যায়, তা নিয়ে ওর সঙ্গে আলোচনা করতাম।’

কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের হয়ে ডিসকাসে সবচেয়ে বেশি পদক জিতেছেন সীমা পুনিয়া। তাঁর ঝুলিতে আছে ৪টি পদক। আর কালিরামনা এই প্রথমবার বিশ্বমঞ্চে পদক জিতলেন। এটাই তাঁর প্রথম কমনওয়েলথ পদক।

নীরজের রুপো

কমনওয়েলথ গেমসে রুপো জিতলেন নীরজ চোপড়া। জ্য়াভলিনের ফাইনালে সোনা জয়ের অন্য়তম দাবিদরার ছিলেন তিনিই। কিন্তু এই মরশুমে নিজের সেরা থ্রো করে ৮৫.৮৩ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে পারলেন নীরজ। যা তাঁর রুপোর পদক নিশ্চিত করল। আর ফাইনালে নিজের কেরিয়ারের সেরা থ্রো – ৮৫.৪১ মিটার ছুড়ে ব্রোঞ্জ পেলেন যশবীর সিংহ। শ্রীলঙ্কার রুমেশ থরাঙ্গা ৮৯.৭৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে সোনা জিতলেন।

(Feed Source: abplive.com)