Private B Ed: বেসরকারি বিএড কলেজে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ, ৫ অগাস্টের পরীক্ষা ঘিরে কড়া নিরাপত্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের। কী কী নিয়ম?
৫ অগাস্ট রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিএড প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষা
কলকাতা: দেশজুড়ে সরকারি পরীক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে তরুণ প্রজন্ম। এরই মধ্যে আগামী ৫ অগাস্ট রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিএড প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষা। পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবার কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এর পিছনে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কারণ। সম্প্রতি রাজ্যের বেসরকারি বিএড কলেজগুলিতে পরিদর্শন চালিয়ে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। সূত্রের খবর, বহু কলেজের অনুমোদন বাতিলও হতে পারে। যদিও এমন ঘটনা এই প্রথম নয়। প্রায় তিন বছর আগে বাবা সাহেব আম্বেডকর এডুকেশন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য সোমা বন্দ্যোপাধ্যায় ২৫৩টি বিএড কলেজের অনুমোদন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষা ঘিরে বিশেষ নজরদারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।
পরীক্ষায় কী কী নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে?
প্রতিটি পরীক্ষার কক্ষে থাকবে সিসি ক্যামেরার নজরদারি।
পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ডিং করা হবে।
সেই ক্যামেরার মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি নজরদারি চালাবে। পরে রেকর্ডিংও খতিয়ে দেখা হবে।
পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর পরিচয়পত্র যাচাই করা হবে। এই বিষয়ে সব কলেজকে নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অরুণাশিস গোস্বামী জানিয়েছেন, এই প্রথম রাজ্যের প্রতিটি জেলায় দু’জন করে অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা সকলেই ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক এবং তাঁদের কারও সঙ্গে কোনও বিএড কলেজের সম্পর্ক নেই। কোন জেলায় কোন অবজার্ভার দায়িত্বে থাকবেন, সেই তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে। তাঁরা সরাসরি উপাচার্যের কাছে রিপোর্ট জমা দেবেন। এ বছর গোটা রাজ্যে ৫৫ হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেবেন। বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, পরীক্ষার প্রতিটি দিকেই তাদের নজর থাকবে।
বর্তমানে রাজ্যে খাতায়-কলমে বেসরকারি বিএড কলেজের সংখ্যা ৬০১। গত সপ্তাহে বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত উচ্চশিক্ষা দফতর এবং বাবা সাহেব অম্বেডকর এডুকেশন বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন কলেজে ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ করা হয়। সেই পরিদর্শনে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। কোথাও নির্দিষ্ট ঠিকানায় কলেজের অস্তিত্বই মেলেনি, কোথাও বেঞ্চের পরিবর্তে চৌকিতে ক্লাস চলছে। আবার কোনও কলেজে গিয়ে দেখা গিয়েছে সেখানে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে। এরপরই প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষায় কড়া নিরাপত্তা ও নজরদারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
(Feed Source: news18.com)