‘রায়বাবুর বক্তৃতা আমি শুনেছি…’ প্রথমবার বিজেপি সাংসদ হিসেবে মোদির সঙ্গে সুখেন্দুশেখর রায়ের সাক্ষাৎ

‘রায়বাবুর বক্তৃতা আমি শুনেছি…’ প্রথমবার বিজেপি সাংসদ হিসেবে মোদির সঙ্গে সুখেন্দুশেখর রায়ের সাক্ষাৎ

রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ হিসেবে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রাতঃরাশ বৈঠকে যোগ দিলেন সুখেন্দুশেখর রায়। সংসদে উপস্থিতি, বিরোধী দলের বক্তৃতা শোনা ও গণতন্ত্রের মূল্যবোধ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রথমবার বিজেপি সাংসদ হিসেবে মোদির সঙ্গে সুখেন্দুশেখর রায়ের সাক্ষাৎ

নয়াদিল্লি: রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ হিসেবে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকে যোগ দিলেন সুখেন্দুশেখর রায়। বৈঠকে সংসদীয় আচরণ থেকে শুরু করে ঐতিহ্য সংরক্ষণ— একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সূত্রের খবর, বৈঠকের শুরুতেই সুখেন্দুশেখর রায়ের বাবা এবং কলকাতায় যোগাসনের চর্চা নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সংসদে একজন সাংসদ হিসেবে কীভাবে নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করা যায়, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী সুখেন্দু শেখর রায়কে বলেন, “সংসদে পূর্ণ সময় উপস্থিত থাকুন। সকলের বক্তৃতা মন দিয়ে শুনুন। বিশেষ করে বিরোধী দলের বক্তব্যও মনোযোগ দিয়ে শুনবেন। যত বেশি শুনবেন, তত বেশি সমৃদ্ধ হবেন। সংসদ গণতন্ত্রের পীঠস্থান। কে কী হাঙ্গামা করছে, সেদিকে না তাকিয়ে নিজের কাজ করুন। অন্যকে অনুকরণ করবেন না। অন্যের ভালো দিকগুলি গ্রহণ করুন, সেটাই আপনার পুঁজি।” বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “রায়বাবুর বক্তৃতা আমি শুনেছি। অবশ্য টেলিভিশনেই শুনেছি। উনি কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন না।” সুখেন্দুশেখর রায়ের সংসদীয় বক্তব্যের এই ধরনকেই প্রশংসা করেন তিনি।

দিন কয়েক আগে সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন এনসিপিআই সাংসদ শতাব্দী রায়। প্রধানমন্ত্রীর কক্ষে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন শতাব্দী। সূত্রের খবর, প্রায় ১৫ মিনিট ধরে দু’জনের মধ্যে বৈঠক হয়। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এনসিপিআইয়ের ভবিষ্যৎ এবং সাংসদের লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। গত ৯ জুলাই পশ্চিমবঙ্গে প্রথম যোগদান হয় বিজেপিতে। এই যোগদানের মঞ্চ থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “যাঁরা মানুষের টাকা লুঠ করেছেন তাঁদের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ। যাঁরা যোগ দিয়েছেন তাঁরা ব্যতিক্রম।”