West Bengal Education: বিকাশ ভবনে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, রাজ্যে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস চালুর সম্ভাবনা।
রাজ্যে ক্যাম্পাস গড়তে আগ্রহী অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলি
কলকাতা: রাজ্যে ক্যাম্পাস গড়তে আগ্রহী অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। বৃহস্পতিবার বিকাশ ভবনে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন অস্ট্রেলিয়ার কনসাল জেনারেল বার্নাড লিন্চ। ভারত-অস্ট্রেলিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
পশ্চিমবঙ্গেই অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ক্যাম্পাস চালুর সম্ভাবনা নিয়ে উদ্যোগ শুরু হয়েছে। প্রতি বছর বাংলা থেকে কয়েকশো পড়ুয়া অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন। রাজ্যে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতেই এই উদ্যোগ বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি, দক্ষতা উন্নয়ন (Skill Development) ক্ষেত্রেও ভারত-অস্ট্রেলিয়ার যৌথ সহযোগিতা বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে আলোচনায় বলেই জানিয়েছেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী।
কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও ঘোষণা করেছিলেন, দেশে বহু বিদেশি ইউবনিভার্সিটিকে ক্যাম্পাস গড়ার অনুমোদন দিয়েছেন। ভারতে ক্যাম্পাস গড়ার অনুমোদন পেয়েছে ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিস্টল, ইউনিভার্সিটি অফ ইয়র্ক এবং অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ওয়েলস। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়কে আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রতিনিধিদের হাতে অনুমোদনপত্র তুলে দেন। জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) ২০২০-এর নির্দেশিকা মেনে ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই ক্যাম্পাসগুলিতে পঠনপাঠন চলবে। এর মধ্যে মুম্বইয়ে গড়ে উঠবে ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিস্টল ও ইউনিভার্সিটি অফ ইয়র্কের ক্যাম্পাস। অন্যদিকে, বেঙ্গালুরুতে তৈরি হবে ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ওয়েলসের ক্যাম্পাস।
১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিস্টলের মুম্বই ক্যাম্পাসে অর্থনীতি, ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনা, ইমার্সিভ আর্টস, ফিন্যান্স, ডেটা সায়েন্স, অন্ত্রেপ্রেনিওরশিপ অ্যান্ড ইনোভেশন-সহ একাধিক বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রযুক্তি এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার জন্যও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সুনাম রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণাতেও তাদের কাজ উল্লেখযোগ্য।
সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়
(Feed Source: news18.com)