)
LPG e-KYC: গ্রাহকদের জন্য স্বস্তির বিষয়, এই কাজের জন্য গ্যাস এজেন্সিতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ইন্ডিয়ান অয়েল, ভারত গ্যাস এবং এইচপি গ্যাসের গ্রাহকরা নিজেদের মোবাইল ফোন থেকেই বাড়িতে বসে সহজে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে পারবেন। জেনে নিন কীভাবে কী করতে হবে।
অয়ন ঘোষাল: আপনি যদি এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে অবশ্যই একটি মেসেজ ঢুকেছে। যেখানে e-KYC সম্পূর্ণ করার অ্যালার্ট (LPG e-KYC Alert) দেওয়া হয়েছে। এটা করার শেষ তারিখ ১৬ অগাস্ট। যদি এই ১৬ অগাস্টের মধ্যে আপনি e-KYC সম্পন্ন করতে না পারেন, তাহলে এলপিজি সিলিন্ডার পেতে আপনার সমস্যা হবে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর উজ্জ্বলা যোজনার অন্তর্গত যাঁরা, তাঁদের সরকারি ভর্তুকি পেতেও সমস্যা হতে পারে e-KYC না করা হলে। এমনকি ঘরোয়া রান্নার গ্যাস তাঁদের কিনতে হতে পারে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দামে!
বাড়িতে বসেই
না, এই ই-কেওয়াইসি করার জন্য় আপনাদের অনর্থক দৌড়াদৌড়ি করে বেড়াতে হবে না। লাইন দিতে হবে না। গ্রাহকদের জন্য স্বস্তির বিষয় হল, এই কাজের জন্য গ্যাস এজেন্সিতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ইন্ডিয়ান অয়েল, ভারত গ্যাস এবং এইচপি গ্যাসের গ্রাহকরা নিজেদের মোবাইল ফোন থেকেই বাড়িতে বসে সহজে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে পারবেন। ই-কেওয়াইসি করার জন্য প্রতিটি গ্যাস সংস্থার নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ রয়েছে। ইন্ডিয়ান অয়েলের গ্রাহকরা IndianOil One, ভারত গ্যাসের গ্রাহকরা Hello BPCL for Business এবং এইচপি গ্যাসের গ্রাহকরা HP Pay অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন। এই অ্যাপগুলি গুগল প্লে স্টোর থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়।
মোবাইল থেকে কী ভাবে
১) ই -কেওয়াইসি সম্পন্ন করার জন্য প্রথমে আধার কার্ডের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বর, এলপিজি গ্রাহক নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশনের সময় দেওয়া তথ্য হাতের কাছে রাখতে হবে
২) এরপর সংশ্লিষ্ট গ্যাস সংস্থার অ্যাপে লগ ইন করে e-KYC অপশনে যেতে হবে।
৩) তারপর Aadhaar FaceRD অ্যাপ ডাউনলোড করে স্ক্রিনে দেওয়া নির্দেশ অনুসারে ফেস স্ক্যান বা বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ সম্পন্ন করতে হবে। যাচাইকরণ সফল হলে ই-কেওয়াইসি আপডেট হয়ে যাবে।
অনলাইনে
তবে, যেসব গ্রাহকের পক্ষে মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করা সম্ভব নয়, তাঁদের জন্যও বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তাঁরা www.pmuy.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে পারবেন। এই সুবিধা বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার (PMUY) উপভোক্তাদের জন্য কার্যকরী। কারণ এতে বারবার গ্যাস এজেন্সিতে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।
ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে গিয়ে
তবে প্রযুক্তিগত সমস্যা বা নেটওয়ার্কের কারণে যদি মোবাইলের মাধ্যমে বা অনলাইনে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করা না যায়, তাহলে গ্রাহকরা নিকটবর্তী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা ১৮০০ ২৩৩৩ ৫৫৫ হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে সাহায্য নিতে পারেন। প্রয়োজনে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক যাচাইকরণের মাধ্যমেও ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করা যাবে।
তিনগুণ দাম!!!
১৬ অগাস্টের পরে গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য গুণত হবে তিনগুণ টাকা, ২৭৮৩ টাকা?
কলকাতায় এখন ১৪.২ কেজি ঘরোয়া সিলিন্ডার দাম পড়ে কেজি পিছু ৬৮ টাকা ১৬ পয়সা। সেক্ষেত্রে মোট দাম ৯৬৮ টাকা (৬৮ টাকা ১৬ পয়সা X ১৪.২)।
কলকাতায় এখন বাণিজ্যিক ১৯ কেজি সিলিন্ডারের দাম পড়ে কেজি পিছু দাম ১৫১ টাকা ১৫ পয়সা। মোট দাম ২৮৭২ টাকা ৫০ পয়সা (১৫১ টাকা ১৫ পয়সা X ১৯)।
যদি আপনি E-KYC পূরণ না করেন তাহলে আপনাকে আগামী দিনে বাণিজ্যক দামেই ১৪.২ কেজি সিলিন্ডার কিনতে হবে। অথবা, আপনাকে ১০ কেজি সিলিন্ডার দেওয়া হবে। ১০ কেজি সিলিন্ডারের জন্য সেক্ষেত্রে আপনাকে দিতে হবে ১৫৫২ টাকা ৫০ পয়সা। ১৪.২ কেজির ক্ষেত্রে দিতে হতে পারে ২১১৬ টাকা।
(Feed Source: zeenews.com)
