College union election: ৫০০ কলেজ, ৩১ বিশ্ববিদ্যালয়ে বকেয়া…বহু বছর ধরে বন্ধ, এবার ‘ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি বিরোধীদের

College union election: ৫০০ কলেজ, ৩১ বিশ্ববিদ্যালয়ে বকেয়া…বহু বছর ধরে বন্ধ, এবার ‘ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি বিরোধীদের

College union election: রাজ্যের কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বন্ধ থাকা ছাত্র সংসদ নির্বাচন ফের করা হোক৷ এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি দিল বিরোধী দলগুলি৷

ছাত্র সংসদ নির্বাচন, Image AI generated

কলকাতা: ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে ফের সরব বিরোধীরা৷ সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রীকে এ নিয়ে চিঠি দিতে চলেছে বিরোধী দলগুলি৷ রাজনৈতিক রঙ না দেখে ছাত্র ভোট করা হোক, চাইছে বিরোধী দলগুলি৷ ‘‘কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা যথেষ্ট ভাবে ফিরলে চিন্তা ভাবনা করা হবে’’, ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে আশ্বাস উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের৷

দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্র সংগঠনের নির্বাচন বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে বিরোধী দলগুলির ছাত্র সংগঠন। গতবছর রাজ্যের কলেজগুলিতে নির্বাচন নিয়ে উচ্চশিক্ষা দফতর ও রাজ্য সরকারের পদক্ষেপের ব্যাপারে জানতে চেয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ।
রাজ্যের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র-ভোট হয়নি। এ ব্যাপারে মূলত শাসকদল তৃণমূলকেই নিশানা করে বিরোধীরা। নানা সময় কলেজে-কলেজে ছাত্র-ভোট করানো নিয়ে সরব হতে দেখা গিয়েছে বিরোধী দলগুলির ছাত্র সংগঠনগুলিকে।
প্রসঙ্গত, রাজ্যের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যান্টি-র‍্যাগিং কমিটি তৈরি এবং ছাত্রভোট না-হওয়া নিয়ে অনেকগুলি মামলা বিচারাধীন। দক্ষিণ কলকাতার আইন কলেজের ছাত্রীর ধর্ষণের ঘটনার পরে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়। আদালত নির্দেশ দেয়, হত দিন না ছাত্রভোট হচ্ছে, তত দিন এই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ইউনিয়ন জমগুলি তালাবন্ধ রাখতে হবে। সেই নির্দেশের কিছুদিন পরে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দফতর একটি নির্দেশিকা জারি করে।
এর আগে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার ছাত্রভোট নিয়ে বার্তা নিয়েছেন। কিন্তু তা কার্যকর হয়নি। গত বছর, ২৮ অগাস্ট টিএমসিপি-র প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনই তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছিলেন, পুজোর পরে ছাত্রভোট হবে এবং তখন মহিলাদের জন্য বিশেষ সংরক্ষণ এনে বিধিও তৈরি হবে। তারপরে বছর ঘুরে গেলেও এ নিয়ে আর সরকারি স্তরে প্রকাশ্যে উচ্চবাচ্য হয়নি।
এই মুহূর্তে রাজ্যের অন্তত পাঁচশোটি কলেজ ও ৩১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রভোট বকেয়া রয়েছে। যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি, রবীন্দ্র ভারতীতে ২০১৯-২০ সালে শেষবার ভোট হয়েছে। বাকি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৭-এর পরে কোনও ভোট হয়নি। পার্থ চট্টোপাধ্যায় রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালীন রাজ্য একটি আইন এনে দু’বছর অন্তর ছাত্রভোট করার সিদ্ধান্ত নেয়। তা-ও এখনও কার্যকর হয়নি। এই আবহে রাজ্য কীভাবে ছাত্রভোট না-হওয়ার দায় কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপরে চাপিয়ে দিল, তাতে বিস্মিত শিক্ষা-প্রশাসকদের অনেকেই।
(Feed Source: news18.com)