)
Abhishek Banerjee: ‘যে ঘটনা ঘটেছে, তা স্টেট স্পন্সরড। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কার্যকর করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী’।
রাজীব চক্রবর্তী: ‘যে ঘটনা ঘটেছে, তা স্টেট স্পন্সরড’। হালিশহর কাণ্ডে বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে তাঁর অভিযোগ, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কার্যকর করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী’।
অভিষেক বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে যারা বিরোধী তকমা পেয়েছে তারা চুপ করে আছে কেন? কেন বিজেপির বিরুদ্ধে কোনও ইস্যুতে কথা বলছে না? কেন বিজেপির বিরুদ্ধে কোনও ইস্যুতে কথা বলছে না? তৃণমূলকে কেন এত ভয় পাচ্ছে? কেন কোন রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয় না’?
এদিকে হালিশহরের ঘটনায় প্রতিবাদে বিধানসভা বিক্ষোভ দেখালেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়করা। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে দেখা গেল ঋতশিবিরের তিন বিধায়ককেও। তৌসিফুর রহমান, বিভাস সরদার ও খালেক মোল্লা। ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি তুলেছেন কুণাল। তিনি বলেন, ‘অনেক বিধায়ক জেলায় রয়েছেন। থানা থেকে বাধা আসছে। আমার বাড়ির সামনে রাস্তা আটকে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিস। জানতে চাওয়া হচ্ছে, কোথায় যাচ্ছি, কেন যাচ্ছি’?
এদিন রাজ্যসভাতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগে সরব হন তৃণমূল। দলের তরফে নোটিস দেন নাদিমুল হক। কিন্তু তিনি যখন বলতে ওঠেন, তখন নাকি মাইক বন্ধ করে দেওয়া! প্রতিবাদে রাজ্য়সভা থেকে ওয়াকআউট করেন তৃণমূল-সহ বিরোধীরা।
ঘটনাটি ঠিক কী? পুলিসি হেফাজতে তৃণমূলকর্মী রহস্যমৃত্যু। গতকাল রবিবার হালিশহরে নিহত কর্মী বাড়িতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই রাস্তা ব্যাপক জনরোষের মুখে পড়তে হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা, এমনকী জুতো পর্যন্ত ছোড়া হয়। এরপরও নেত্রীকে দেখে ওঠে চোর স্লোগান। এই ঘটনার পর আজ, সোমবার ওই মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সেখানে যান মন্ত্রী অর্জুন সিং, ডিজিপি।
