
দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) চারদিন স্পেশাল ‘MLA ক্যান্টিন’ (MLA Canteen) চালানো হবে বলে জানালেন কৌস্তভ বাগচী। তিনি জানান, ‘ব্যারাকপুরে দুর্গাপুজোর চার দিন এই পরিষেবা পাবেন গরিব মানুষজন। যারা সমাজের খুব প্রান্তিক মানুষজন, তাঁদের উদ্দেশেই এই ক্যান্টিন চালাব।’ তবে আপাতত পুজোর চারদিনই এই পরিষেবা দেওয়ার কথা জানানো হলেও, অদূর ভবিষ্যতে সারা বছরই যে এই পরিষেবা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে, সে বিষয়টিও স্পষ্ট করে দিয়ে কৌস্তভকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের ভবিষ্যতে এই পরিকল্পনাও আছে আমরা ৩৬৫ দিন এই ক্যান্টিন চালাব।’
কৌস্তভকে বলতে শোনা যায়, ‘আগামী দুর্গাপুজোর সময় ব্যারাকপুরের বিভিন্ন জায়গায় পুজো স্পেশাল এমএলএ ক্যান্টিন চলবে। সেখানে একদম বিনামূল্যে মানুষজন খাওয়া দাওয়া পাবেন। সেই নিরন্ন মানুষগুলো যাঁদের কাছে অন্য সংস্থান নেই, যার দুই মুঠো খাবার জোগাড় করতে কষ্ট হয়, তাঁরা খাবার পাবেন।’
তিনি জানান তাঁর ব্যারাকপুর বিধানসভার কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গায় তিনি মানুষজনকে খাওয়াবেন। ‘বিধানসভার বিভিন্ন অঞ্চল জুড়ে, ব্য়ারাকপুর, টিটাগড় বিভিন্ন জায়গা জুড়ে, বিভিন্ন পয়েন্টে মানুষজনকে আমরা খাওয়াব।’ বলেন কৌস্তভ।
তৃতীয় বার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর অর্থ দফতরের উদ্যোগে পাঁচ টাকার বিনিময়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ‘মা ক্যান্টিন’ চালু করেছিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। সেখানে প্রতি দিন দুপুরে পাঁচ টাকার বিনিময়ে ডাল, ভাত, তরকারি এবং ডিম দেওয়া হত। বেলা ১২টা থেকে বিকেল তিনটে পর্যন্ত চলত এই ক্যান্টিন। তৃণমূলের পতনের পর এখন রাজ্য়ে বিজেপি সরকার। ‘মা-ক্য়ান্টিন’-র নাম বদল করে ‘মা আহার’ নামকরণ করা হয়েছে। সেখানে ৫ টাকার প্লেটে মাছ থাকার কথা আগেই জানিয়েছে নতুন রাজ্য সরকার।
রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়েছিলেন, ‘যেটা মা ক্যান্টিন নাম ছিল, মা আহার-এর নামে এই প্রকল্প চলবে। আগে ৩৯০টি স্থানে চলত। ৫ টাকায় মিল দেওয়া হত। আরও ১১০টি নতুন মা আহার প্রকল্পের কেন্দ্র স্থাপিত হবে। মোট ৫০০টি কেন্দ্র থেকে আহার বিতরণ করা হবে ৫ টাকার বিনিময়ে।’ এবার কৌস্তভ ঘোষণা করলেন এমএলএ ক্যান্টিনের।
(Feed Source: abplive.com)
