)
অর্জুন তেন্ডুলকর ও সানিয়া চন্দোকের বিয়েই তাঁর চোখ খুলে দিয়েছে। সারা তেন্ডুলকর ভেবেই নিয়েছেন এরপর জীবনে তিনি কী করবেন। বিয়ে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললেন।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অর্জুন তেন্ডুলকরের বিয়েটাকে তিনি ভবিষ্যতে নিজের বিয়ের ‘ট্রায়াল রাউন্ড’ হিসেবেই দেখছেন। কথা হচ্ছে সারা তেন্ডুলকরকে নিয়ে। ভোগ ম্যাগাজিনে সচিনকন্য়া জানালেন তাঁর কাছে বিয়ের ধারান ঠিক কেমন, কেমন সঙ্গী তাঁর পছন্দ, বিয়ে করলে কাকে বিয়ে করবেন! সারা বলেন, ‘আমার মনে হয় অর্জুনের বিয়ে আমার জন্য দারুণ ট্রায়াল রাউন্ড ছিল। এখন আমি জানি আমি কী চাই আর কী চাই না।’ সারা জানান যে, ছোটবেলা থেকেই তিনি নিজেকে হালকা রঙের (প্যাস্টেল শেড) পোশাক পরা কনে হিসেবে কল্পনা করতেন এবং জমকালো ও বিলাসবহুল বিয়ের স্বপ্ন দেখতেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সেই ভাবনাও বদলে গিয়েছে। বর্তমানে নিজের স্বপ্নের বিয়ের প্রসঙ্গে জানান, ঘরোয়া বা ঘনিষ্ঠ পরিসরে আয়োজন সারতেই পছন্দ করবেন এবং বিয়ের পোশাকে হয়তো প্রথাগত লাল রংই বেছে নেবেন। তিনি যোগ করেন, ‘আমি তুলা রাশির জাতিকা, তাই খুব সহজেই সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগি। কে জানে? হয়তো শেষমেশ সবুজ রংই বেছে নেব।’
Gen Z-র বিয়ে নিয়ে দায়বদ্ধতা
সম্পর্কের নিয়ে Gen Z দায়বদ্ধতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেন। তবে সারার বিশ্বাস, তাঁর প্রজন্ম বিয়েকে যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গেই দেখে। তাই কোনও সম্পর্ক যখন আর ঠিকঠাক এগোয় না, তখন তাঁরা সেখান থেকে সরে আসাকেই শ্রেয় মনে করেন। সারার সংযোজন, ‘আমি এমন অনেককে দেখেছি যারা বাগদানের পর বিয়ের প্রস্তুতির সময়ে সঙ্গী বা তাঁর পরিবারের আসল রূপ দেখে বুঝতে পারে যে— না, আমার পক্ষে আর এটা করা সম্ভব নয়। আমার মতে, বিয়ের আগেই সম্পর্ক থেকে সরে আসা অত্যন্ত ভালো সিদ্ধান্ত। আগের প্রজন্মের মানুষরা নিজেদের অবস্থানের পক্ষে কথা বলতে বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত বা ভীত ছিলেন। তবে Gen Z কোনও পরিস্থিতি খারাপের দিকে মোড় নিলেই তা মোকাবিলায় অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে।’
সচিন-অঞ্জলির সম্পর্ক
বেশ কয়েক বছর প্রেমের পর ১৯৯৫ সালে সচিন তেন্ডুলকর ও অঞ্জলি তেন্ডুলকর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের এই দাম্পত্য জীবনকে প্রায়শই ক্রিকেটের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী ও সফল জুটি হিসেবেই দেখা হয়। ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গীর মধ্যে কী ধরনের গুণের প্রত্যাশা করেন সারা? এই প্রসঙ্গে সচিন কন্য়া বলেন, ‘আমার বাবা-মা, সবার আগে একে-অপরের খুব ভালো বন্ধু। বাড়িতে তাঁদের মধ্যে বেশ মজার খুনসুটি চলে, আর ভবিষ্যৎ সঙ্গীর মধ্যেও আমি ঠিক এমনটাই চাই। তাঁদের মধ্যে ক্ষমতার কোনও আধিপত্য বা দাপট দেখানোর বিষয় নেই, যা সত্যিই চমৎকার।’ সারা আরও বলেন, ‘ছোটবেলায় আমার মনে হতো সব সম্পর্কই বুঝি এমন হয়। বড় হওয়ার পর আমি ভাবতে শুরু করি, কীভাবে তারা দূরত্বের বাধা সত্ত্বেও তাদের দাম্পত্য জীবন টিকিয়ে রেখেছিলেন। ২০ বছর আগে তো আর ফেসটাইম বা হোয়াটসঅ্যাপ ছিল না! এমনকী আন্তর্জাতিক কলের খরচও ছিল অনেক বেশি।’ ভালোবাসাকে কি তিনি বন্ধুত্বেরই একটি রূপ হিসেবে মনে করেন? এমন প্রশ্নের জবাবে সারা হেসে বলেন, ‘ঠিক তাই। আমি বিশ্বাস করি রোম্যান্টিক সোলমেট থাকা সম্ভব, তবে আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধুরা তো বটেই—শতভাগ নিশ্চিতভাবে—আমার সোলমেট।’
সারা বুঝিয়েই দিলেন যে, তিনি কোনও ভালো বন্ধুর গলাতেই মালা দেবেন…
(Feed Source: zeenews.com)
