আইপিএলের জেরেই ভারতীয় ক্রিকেটে এত চোটআঘাত! বিস্ফোরক দাবি সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের

আইপিএলের জেরেই ভারতীয় ক্রিকেটে এত চোটআঘাত! বিস্ফোরক দাবি সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের

 

নয়াদিল্লি: হার্দিক পাণ্ড্য থেকে যশপ্রীত বুমরা, সাই সুদর্শন, বর্তমানে ভারতীয় দলের (Indian Cricket Team) হয়ে খেলেন বা হালে খেলেছেন এমন মোট ১৩জন ক্রিকেটার নাকি বর্তমানে চোটের কবলে। এই প্রবল সংখ্যক চোটআঘাত নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে এই বিষয়ে সেন্টার অফ এক্সিলেন্স (Centre of Excellence ) এবং জাতীয় দলের নির্বাচকদের মধ্যে বোঝাপড়ারও অভাব রয়েছে। এরই মধ্যে এক বিস্ফোরক দাবি ঘিরে চারিদিকে তোলপাড়।

সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের সঙ্গে যুক্ত এক সূত্র দাবি করছেন এই বিপুল পরিমাণ চোটআঘাতের নেপথ্যে আইপিএল থাকতে পারে। ANI-র এক রিপোর্ট অনুযায়ী আইপিএলে ফ্র্য়াঞ্চাইজ়ি এবং আর্থিক চাপে অনেক সময় কেউ কেউ চোট নিয়েই খেলা চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন এবং তারপরে তারা রিহ্যাবের জন্য আসছেন। এর ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য তাদের প্রস্তুত করা ক্রমেই কষ্টকর হয়ে উঠছে।

সেই সূত্র দাবি করেন, ‘মানুষের শরীরেরও তো একটা সীমা পরিসীমা আছে। বাড়তি ক্রিকেটের ফলে বয়স্ক খেলোয়াড়দের মধ্যে স্ট্রেসের জেরে চোট বাড়ছে। তাদের মাঠে ফেরাটাও তাই অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। খেলোয়াড়রা চোট নিয়েই আইপিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজ়ির এবং আর্থিক চাপে খেলে চলে এবং তারপরে তাদের ফিজিওদের কাছে পাঠিয়ে দেয়। ফিজিওরা তো খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাটাকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দেয়। এর ফলে নির্বাচক, কোচ, অধিনায়ক, সকলেরই সমস্যা হয়।’

তবে সিওই-র প্রধান ভি ভি এস লক্ষ্মণ সাফ জানিয়ে দিলেন, ভারতীয় দলের ম্যানেজমেন্ট বা সিনিয়র নির্বাচকদের সঙ্গে সমণ্বয় নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। রবিবার বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে সাংবাদিক বৈঠক করে লক্ষ্মণ বলেন, ‘সিওই ও মহিলা এবং পুরুষ – উভয় দলের টিম ম্যানেজমেন্ট, স্পোর্টস সায়েন্স ও মেডিসিন স্টাফ এবং নির্বাচক কমিটির মধ্যে দারুণ সমণ্বয় রয়েছে। পদ্ধতিটা হল, ক্রিকেটারদের ফিটনেস কীরকম জানতে চেয়ে নির্বাচকেরা সিওই-র কাছে রিপোর্ট চায়। আমরা সেই রিপোর্ট সংগ্রহ করে নির্বাচক কমিটির প্রধানের কাছে পাঠিয়ে দিই। তার প্রতিলিপি পাঠানো হয় সংশ্লিষ্ট দলের হেড কোচ এবং ভারতীয় বোর্ডের কাছে।’

প্রশ্ন উঠছে সিওই-র স্পোর্টস সায়েন্স ও মেডিসিন বিভাগ নিয়েও। যে দফতরের এখন কোনও বিভাগীয় প্রধান নেই। নীতিন পটেল এক বছর আগে ইস্তফা দেওয়ার পর থেকে। লক্ষ্মণ বলেছেন, ‘নীতিন পটেলের ইস্তফার পর থেকে আমরা কাউকে পাইনি। অ্যান্ড্রু লিপাসের সঙ্গে কথা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে পারিবারিক কারণে তিনি সরে দাঁড়ান। এরপর আমি, চিকিৎসক দিনশ পার্ডিওয়ালা ও চিকিৎসক আশিস সোনি পাঁচজনকে বাছাই করেছিলাম। অস্ট্রেলিয়ার একজন আমাদের পছন্দের তালিকায় সকলের ওপরে ছিলেন। তবে উনিও পাকাপাকিভাবে বেঙ্গালুরুতে আসতে রাজি ছিলেন না।’ সিওই যে শুধু চোট সারানোর জায়গা নয়, সেটাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন লক্ষ্মণ।

(Feed Source: abplive.com)