)
Deadly Earthquake: ২১টি আফটারশক। প্রায় ১৬০০ বাড়ি ভেঙে পড়েছে। ১৮টি হেলথ সেন্টারে, ৫২টি স্কুলেও আঘাত। ধসে পড়া বাড়িগুলির ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেক মানুষ আটকে পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা। মোট কত মৃত্যু?
জরুরি অবস্থা
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলাদো দে লা এসপ্রিয়েলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক বৈঠকের পরে সেদেশে জরুরি অবস্থার ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলিতে অতিরিক্ত সহায়তা দেওয়ার কাজটি আগের চেয়ে আরও সহজ হবে।
ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষতি
এদিকে, ভূমিকম্পের কারণে কলম্বিয়ায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলেই সতর্ক করেছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষা সংস্থা বা ইউএসজিএস। সংস্থাটি জানিয়েছে, সোমবার (১০ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা ৭.৪ মাত্রার এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কলম্বিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের চোকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমারের কাছে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১০৭ কিলোমিটার। ফলে দেশটির বিভিন্ন বড় শহরেও শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ধ্বংস
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির খবর পাওয়া গিয়েছে পশ্চিমাঞ্চলীয় রিসারালদা প্রদেশে। কফি উৎপাদনের জন্য পরিচিত এ অঞ্চলের গভর্নর জানিয়েছেন, সেখানে অন্তত ৪২ জন মারা গিয়েছেন। কলম্বিয়ার অন্যতম বড় শহর ক্যালি-ও ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই শহরটির মেয়র জানিয়েছেন, অন্তত ৩০টি বাড়ি ধসে পড়েছে। এইসব বাড়ির মধ্যে ১০টিতে উদ্ধারকাজ চলছে। তবে ক্যালিতে এখনও প্রাণহানির সংখ্যা নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজে অংশ নেওয়া ক্যালির স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, শব্দটি বোমা বিস্ফোরণের মতো মনে হয়েছিল। পরিস্থিতি ভয়াবহ। আমরা প্রতিবেশীরা সবাই মিলে কাজ করছি। ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছি। আমাদের ভারী যন্ত্রপাতি প্রয়োজন। অনেক মানুষ আটকা পড়ে আছেন! ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের সবচেয়ে কাছের প্রদেশ চোকোতেও ব্যাপক ক্ষতির খবর পাওয়া গিয়েছে। এখানকার গভর্নর জানিয়েছেন, রাজধানী কুইবদোতে বহু প্রাণহানি ঘটেছে। বহু মানুষ আহত এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
(Feed Source: zeenews.com)
