)
Working More than 8hrs: ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে কি এখন থেকে দ্বিগুণ টাকা মিলবে? কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ওভারটাইম নিয়ম নিয়ে অবশেষে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করল সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ওভারটাইম অ্যালাউন্স নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। নতুন ‘কোড অন ওয়েজেস, ২০১৯’-এ নির্ধারিত কাজের সময়ের চেয়ে বেশি কাজ করলে সাধারণ বেতনের দ্বিগুণ হারে ওভারটাইম দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে এবার থেকে দ্বিগুণ টাকা? কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ওভারটাইম নিয়ম নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করল সরকার। এবার কথা উঠছে ওভারটাইম অ্যালাউন্স বা ‘ওটিএ’ নিয়ে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ওভারটাইম অ্যালাউন্স নিয়ে একটা বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। নতুন ‘কোড অন ওয়েজেস, ২০১৯’ (Code on Wages, 2019)-এ নির্ধারিত কাজের সময়ের চেয়ে বেশি কাজ করলে সাধারণ বেতনের দ্বিগুণ হারে ওভারটাইম দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছিল, তবে কি এবার থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরাও নিয়মিত ডিউটির চেয়ে বেশি কাজ করলে বর্তমান ওভারটাইম অ্যালাউন্সের দ্বিগুণ টাকা দাবি করতে পারবেন? এই বিষয়ে সংসদে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়েছে।
স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কি দ্বিগুণ?
বিধিবদ্ধ সময়ের বেশি কাজ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কি দ্বিগুণ হয়ে যাবে ওভারটাইম? না, স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্বিগুণ হবে না ওভারটাইম। ৫ অগাস্টে লোকসভায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, নতুন ওয়েজ কোড চালুর পর কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের ওভারটাইম অ্যালাউন্সে কোনো বদল হয়েছে কি না। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যোগ্য নন-গেজেটেড কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের ওভারটাইম অ্যালাউন্স এখনও পে কমিশনের সুপারিশ এবং কার্যকর সরকারি নির্দেশিকার ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয়। অর্থাৎ, নতুন ওয়েজ কোডে দ্বিগুণ ওভারটাইমের বিধান থাকলেও সরকারি কর্মচারীদের ওভারটাইম অ্যালাউন্স নিজে থেকে এখনই দ্বিগুণ হয়ে যায়নি।
নতুন ওয়েজ কোড
নতুন ওয়েজ কোড কী বলে? ওয়েজ কোডের ১৪ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, কোনো কর্মচারী সাধারণ কাজের নির্ধারিত ঘণ্টার চেয়ে বেশি কাজ করলে তাঁকে সাধারণ বেতনের অন্তত দ্বিগুণ হারে ওভারটাইম দিতে হবে। কিন্তু এই সাধারণ নিয়মটি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বর্তমান সরকারি ওভারটাইম নিয়মে স্বয়ংক্রিয় পরিবর্তনের মাধ্যম হিসেবে গণ্য হবে না।
১৯৯১ সালের রুল
জানা গিয়েছে, ১৯৯১ সালের সরকারি আদেশ অনুযায়ীই চলবে ওটিএ। সরকার সংসদে জানিয়েছে, যোগ্য কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের জন্য প্রতি ঘণ্টার ওভারটাইমের হারের কাঠামো ১৯৯১ সালের ১৯ মার্চের একটি অফিস মেমোরেন্ডামের (OM) মাধ্যমে নির্দিষ্ট করা আছে। সেখানে ওভারটাইমের পাশাপাশি বিশেষ ক্ষেত্রে ‘কম্পেনসেটরি লিভে’র নিয়মও রয়েছে। অফিসে বেশি থাকলেই ওভারটাইম পাওয়া যাবে না; এর জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের থেকে পূর্ব অনুমোদন থাকা আবশ্যিক।
আগের নিয়মই বহাল
নন-গেজেটেড কর্মচারীরা যদি এমন কোনো পদ বা শ্রেণিতে থাকেন যা বর্তমান সরকারি নিয়মে ওভারটাইম পাওয়ার যোগ্য, তবে তাঁদের আগের প্রচলিত নিয়ম ও পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ীই অর্থ প্রদান করা হবে। গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে কী হবে? যে সমস্ত গেজেটেড অফিসাররা এতদিন ওভারটাইমের আওতায় আসতেন না, তাঁদের ক্ষেত্রেও আপাতত নতুন কোনো সুবিধা ঘোষণা করা হয়নি। তাঁরা ওয়েজ কোডের ১৪ নম্বর ধারা দেখিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওভারটাইম দাবি করতে পারবেন না। তাঁদের জন্য পৃথক কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আগের নিয়মই বহাল থাকবে।
(Feed Source: zeenews.com)
