
শুক্রবার হরমুজ় নিয়ে বড় দাবি করেছেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্য, “ইরানকে হারানোর পর, ওরা খুব বাজে ভাবে হারছে…শীঘ্রই হরমুজ় প্রণালীকে আমেরিকার এলাকা ঘোষণা করব আমি। সত্যি বলছি।” (Strait of Hormuz)
নিউ ইয়র্কে পুলিশ অ্যাকাডেমির অনুষ্ঠানে ওই দাবি করেন ট্রাম্প। যুদ্ধবিরতি চললেও, এখনও পর্যন্ত সমঝোতায় পৌঁছতে পারেনি ওয়াশিংটন এবং তেহরান। নয় নয় করে প্রায় ছ’মাস ধরে আলাপ-আলোচনা চলছে তাদের মধ্যে। ইরানের উপর আরও কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে বলেও ঘোষণা করেছেন তিনি।
যদিওল ট্রাম্পকে কটাক্ষ করেছেন ইরানের ডেপুটি বিদেশমন্ত্রী কাজেম ঘরিবাবাদি। তিনি বলেন, “হুমকিতে বয় পায় না তেহরান। ক্ষমতার সামনে মাথা নোয়ায় না। হরমুজ় প্রণালী ইরানের ছিল, ইরানেরই থাকবে। ট্রাম্প বলছে, ইরানের পরাজয়ের পর হরমুজ় আমেরিকার এলাকা হবে। ট্যুইট করে হরমুজ় দখল করা যাবে না, নির্দেশ দিয়েও নয়, নির্বাচনী ভাষণ দিয়েও নয়।”
“Pretty soon I’ll be declaring the Hormuz Strait a territory of the United States.”
President Trump floats a dramatic move involving the strategically critical waterway as he says Iran is being “very badly defeated.” pic.twitter.com/zXJhCfOIqH
— Fox News (@FoxNews) August 14, 2026
ইরানের উপর আরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে বলে বৃহস্পতিবারই জানিয়েছিলেন আমেরিকার ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট। তিনি দাবি করেন, এত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে, যা ‘আগে কখনও দেখা যায়নি’। একসপ্তাহের মধ্যেই বিধিনিষেধ আরোপ করা হলে বলে জানান। আর তার পরই ট্রাম্প ওই মন্তব্য করলেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের উপর একযোগে হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল। মৃত্যু হয় দেশের সর্বোচ্চ শাসক আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। সেই থেকে যুদ্ধের আঁচে তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। দফায় দফায় আলাপ-আলোচনা হলেও, এখনও পর্যন্ত সমাধানসূত্র বের করা যায়নি। বিশেষ করে হরমুজ় নিয়ে টানাপোড়েন চরমে উঠেছে।
এর আগেও, হরমুজ় নিয়ে জল্পনা উস্কে দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ইরানের তরফে জাহাজের উপর শুল্ক বসানোর ঘোষণা হলে তিনি জানান, যৌথ ভাবে শুল্ক আদায় করায় সায় রয়েছে তাঁদেরও। তবে এখনও পর্যন্ত ইরানের নিয়ন্ত্রণই কায়েম রয়েছে হরমুজ়ের উপর।
(Feed Source: abplive.com)
