
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “আমরা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছি যে, ভারতের পক্ষ থেকে প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে কোনও আপডেট বা নতুন তথ্য পাওয়া গেলে আমরা তা আপনাদের জানাব।” মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন আগের সরকারও হাসিনার প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিল। তাদের যুক্তি ছিল, ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভ দমনে নৃশংস দমন-পীড়নের ঘটনায় তিনি ‘মানবতাবিরোধী অপরাধে’ দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ২০২৪ সালে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর, গত বছর দেশের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক আদালত ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল’ হাসিনা ও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
আরেকটি প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল জানান, প্রধানমন্ত্রী রহমানকে ভারত সফরের জন্য দু’টি পৃথক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে- একটি দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য এবং অন্যটি সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস (BRICS) সম্মেলনের ‘আউটরিচ’ বা বিশেষ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য। ভারত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর বার্ষিক ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজন করছে এবং এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের অর্থনৈতিক প্রভাব-সহ বিশ্বের বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশি রাজনৈতিক নেতা শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে এ বছরের শুরুর দিকে পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার হওয়া দুই বাংলাদেশি নাগরিককে হস্তান্তরের বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ প্রসঙ্গে জয়সওয়াল বলেন, “এটি একটি আইনি বিষয় এবং এ নিয়ে তদন্ত চলছে।”
সামগ্রিকভাবে ভারত জানিয়েছে যে, হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, পাশাপাশি এও নিশ্চিত করা হয়েছে যে, দ্বিপাক্ষিক সফর এবং ব্রিকস-এর আউটরিচ সেশনে যোগ দেওয়ার জন্য রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। India on Bangladesh’s Request
(Feed Source: abplive.com)
