
২০১৩ সালে জাতীয় ক্যাডেট কুস্তি প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন অমিত। তবে সেই অ্যাথলিট থাকাকালীনই তিনি মাদকের সংস্পর্শে আসেন। অমিত পুলিশকে জানান ছত্রসল স্টেডিয়াম অনুশীলন করার সময় তিনি বহু অ্যাথলিটকে আফিম ব্যবহার করে নিজেদের কর্মক্ষমতা বাড়াতে দেখেন। রঞ্জিত নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে দ্রুত অর্থ উপার্জনের লোভে অমিত মাদক পাচার করা শুরু করেন।
তুপুদানায় দায়ের করা এক মামলার ভিত্তিতে তাঁর খোঁজ চালাচ্ছিল ঝাড়খণ্ড পুলিশ। সেই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে হরিয়ানা এবং দিল্লির বিভিন্ন অনুশীলন শিবিরে আফিম পাচার করার অভিযোগ করা হয়েছিল।
ঝাড়খণ্ডে ২০২৩ সালে ৫০০ গ্রাম আফিম সমেত রাজেশ নাগ নামক এক পাচারকারী গ্রেফতার হওয়ার পর অমিতের গতিবিধির ওপর নজরদারি বাড়ে। রাজেশ দাবি করেছিলেন তিনি উত্তর ভারতের কুস্তিগীরদের আফিম পাচার করেন এবং এঁদের মধ্যে অমিত অন্যতম। তারপরেই ২০২৩ সালে তাঁকে আদালতের তরফে পাচারকারী হিসাবে ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকেই তাঁর খোঁজ চলছিল। অবশেষে তাঁকে ধরা হল, যা মাদক পাচার চক্র ভণ্ডুল করার ক্ষেত্রে দিল্লি পুলিশ তাদের বড় সাফল্য বলেই মনে করছেন।
অমিতকে গ্রেফতারির পরে তাঁকে ঝাড়খণ্ড পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশের তরফে দাবি করা হচ্ছে বর্তমানে অমিতের নামে অন্তত ছয়টি মামলা রুজু রয়েছে। মাদক পাচারকারী হওয়ার আগে এই জাতীয় স্তরের কুস্তিগীর দিল্লির বিভিন্ন হোটেলে বাউন্সার হিসাবেও কাজ করেন। তিনি রেলের অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। তবে পুলিশের খাতায় নাম উঠতেই তাঁর সেই স্বপ্ন চুরমার হয়ে যায়। এবার অবশেষে তিন বছর লুকোচুরির পর পুলিশের জালে ধরা পড়লেন তিনি।
(Feed Source: abplive.com)
