)
Mohun Bagan: নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল ছিল গোলশূন্য। টাইব্রেকারে মোহনবাগানে হয়ে গোল করেন রাহুল ভেকে, শুভাশিস বসু, লিস্টন কোলাসো এবং জেমি ম্যাকলারেন। নর্থইস্টের দুটি স্পটকিক বাঁচিয়ে দেন বিশাল কাইথ।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ফের ডার্বি ডুরান্ডে! নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এফসিকে হারিয়ে ফাইনালে মোহনবাগান। প্রথম সেমিফাইনাল মতো দ্বিতীয় সেমিফাইনালও গড়াল টাইব্রেকারে। ৪-৩ গোল জিতল সবুজ-মেরুন। রবিবার ফাইনাল যুবভারতীতে।
ফের ফাইনালে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল। আবার সেই ডুরান্ড কাপেরই ফাইনাল! বছর তিনেক আগে দিমিত্রি পেত্রাতোসের গোল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মোহনবাগান। এবার কি বদলা নিতে পারবে ইস্টবেঙ্গল? নজর এখন সেদিকেই
এদিন ম্যাচে ভালোই বৃষ্টি হয় শিলংয়ে। মাঠে জল জমে গিয়েছিল। ফলে শুরু থেকেই বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমস্যা পড়ছিলেন দু’দলের ফুটবলাররা। তারমধ্যেই একের এক গোল মিস মোহনবাগানের। প্রথম সুযোগ আসে ১০ মিনিটে। লিস্টন কোলাসোর কর্নার কোনওমতে ফিস্ট করে দলের পতন রোধ করেন নর্থইস্টের গোলকিপার। ১৯ মিনিটে আপুইয়া দুরপাল্লা শটে বাঁচিয়ে দেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের গতি বাড়িয়ে গোলের দরজা খুলতে পারেনি মোহনবাগান। ৬০ মিনিটে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় জেলজকোভিচের ৬৩ মিনিটে আবার সুযোগ পেয়েছিল নর্থইস্ট। ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন রাবিহ। কিন্তু তাঁর নিচু ক্রসের নাগাল পাননি আলাদিন আজারাই এবং এতিয়ান। এদিন প্রথম মোহনবাগানে জার্সিতে মাঠে নামেন মিগুয়েল। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ ছিল গোলশূন্য।
টাইব্রেকারে মোহনবাগানে হয়ে গোল করেন রাহুল ভেকে, শুভাশিস বসু, লিস্টন কোলাসো এবং জেমি ম্যাকলারেন। উল্টোদিকে নর্থইস্টের হয়ে বল জালে জড়ান মিনকোভিচ, আলাদিন ও এতিয়ান। কিন্তু রবিন যাদব ও পার্থিব গগৈয়ের শট আটকে দেন বিশাল কাউথ। ৪-৩ জিতে ফাইনালে চলে যায় মোহনবাগান।
(Feed Source: zeenews.com)
