)
Chattisgarh Paper Leak Case: বিএসসির দ্বিতীয় বর্ষের ওই পরীক্ষা বাতিল করে দিতে হয়। কারণ আগে থেকেই অভিযোগ আসছিল যে এনটোমোলজির প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গিয়েছে
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নিট প্রশ্ন ফাঁসে উত্তাল হয়েছিল দিল্লি। ইস্তফা দিতে হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। তার পরও প্রশ্ন ফাঁসের শিকড় যে কত গভীরে তা ফের সামনে চলে এল। প্রশ্ন ফাঁস করার অভিযোগে ছাত্তীসগড়ের এক বেসরকারি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপককে গ্রেফতার করল পুলিস। ডাং জেলার ইন্দিরা গান্ধী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এনটোমোলজির প্রশ্ন ফাঁস করে দিয়েছিলেন ওই অধ্য়াপক। কিন্তু যে অত্যাধুনিক কায়দায় তিনি ওই প্রশ্ন ফাঁস করেছেন তা একেবারে মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মত।
ছত্তীসগড় পুলিসের ডেপুটি কমিশনার স্মুতিক রাজানাল সংবাদমাধ্যমে বলেন, যোগেশ শঙ্কেসারিয়া নামে ভারতী এগরিকালচারাল কলেজের ওই অধ্যাপক এন্ডোস্কোপি করার ক্যামেরা দিয়ে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলেছিলেন। এর জন্য প্রশ্নপত্র যে এনভেলাপে রাখা ছিল তাতে তিনি ফুটো করে ওই ক্যামেরা ভেতরে ঢোকান। তারপর ছবি তুলে তা ফাঁস করে দেন ওই অধ্যাপক। ওই পরীক্ষাটি হওয়ার কথা ছিল ২০ অগাস্ট।
উল্লেখ্য, বিএসসির দ্বিতীয় বর্ষের ওই পরীক্ষা বাতিল করে দিতে হয়। কারণ আগে থেকেই অভিযোগ আসছিল যে এনটোমোলজির প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ফাঁসের বিষয়টি সামনে আসোর আগেই প্রায় ১৫০০ পরীক্ষার্থী ওই পরীক্ষা দিয়ে দিয়েছিলেন।
ডিসিপি বলেন, গত ১৭ অগাস্ট ওই প্রশ্নের এনভেলাপ আসে অধ্যাপক যোগেশ শঙ্কেসারিয়ার কাছে। তারপর তিনি এনভেলাপে খুব ছোট্ট এরটি ছিদ্র করে এন্ডোস্কোপিক ক্যামেরা ভেতরে ঢুকিয়ে দেন। যে সুবিধেটি ওই অধ্যাপক পেয়েছিলেন তা হল ওই প্রশ্নপত্রটি ছিল মাত্র একটি পাতার। ফলে খুব সহজেই তিনি ওই এক পাতার প্রশ্নের ছবি তুলে নেন। তার পর আঠা দিয়ে ওই এনভেলাপের ছিদ্র বন্ধ করে দেন। ওই অধ্য়াপকের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ওই প্রশ্ন ফাঁস চক্রে আর কারা জড়িত তা খুঁজে বের করার জন্য ২০০ পুলিসের একটি টিম গঠন করা হয়েছে। ওই ঘটনায় এখনওপর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিসের তদন্তে উঠে এসেছে, পরীক্ষার একদিন আগে কলেজের ৩ ছাত্রকে ১১,০০০ টাকায় প্রশ্নপত্রটি বিক্রি করে দেন। রাজ্যের উপ-পুলিস কমিশনার তারকেশ্বর প্যাটেল বলেন, ৩৬ ঘণ্টার টানা তদন্তের পর পুলিশ প্রশ্ন ফাঁকের উৎস এবং সমস্ত অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে পেরেছে। তদন্তের সময় আমরা দুর্গের অনুজ মিঞ্জকে চিহ্নিত করি এবং তাকে গ্রেফতারের জন্য একটি টিম পাঠাই। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে কবিরধাম, রায়পুর, দুর্গ, বিলাসপুর এবং আশেপাশের জেলাগুলোতে অভিযান চালানো হয়। অভিযুক্তদের কাছ থেকে নগদ ১১,০০০ টাকা, ছয়টি মোবাইল ফোন, একটি ভিডিও রেকর্ডার, ক্যাবল তার, মোবাইল কানেক্টর, একটি সূঁচ, একটি ধারালো অস্ত্র, একটি নোটবুক এবং আঠা বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিস।
(Feed Source: zeenews.com)
