)
Kashmiri Pandits: ওই হুমকি লিস্টে পণ্ডিতদের পুনর্বাসন এবং তাদের পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার চেষ্টাকে যতটা সম্ভব বাধা দেওয়া হয়েছে। তাদের “দেশদ্রোহী” ও হোয়াইট কলার টেররিস্ট বলে উল্লেখ করা হয়েছে
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অনলাইনে বেরিয়েছে হিটলিস্ট। তালিকায় রয়েছে বহু মানুষের নাম। এনিয়েই নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে কাশ্মীরি পণ্ডিত চাকুরিজীবী ও সাধারণ পণ্ডিতদের মধ্যে। ওই হিটলিস্ট প্রকাশ করেছে লস্কর-ই-তৈবার ছায়া সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন কাউন্সিল। ওই হিটলিস্টে থাকা ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত তথ্য বিস্তারিতভাবে দেওয়া হয়েছে। তাতেই আতঙ্কে কুঁকড়ে কাশ্মীর ও জম্মুর পণ্ডিত সম্প্রদায়ের মানুষরা।
আগেও এরকম হুমকি দেওয়া হয়েছে জঙ্গিদের তরফে। কিন্তু এবারের ব্যাপারটা একটু অন্যরকম। যাদের নামে হুমকি দেওয়া হয়েছে তাদের ফোন নম্বর, বাড়ির ঠিকানা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে কীভাবে কারও ব্যক্তিগত তথ্য এভাবে হাতিয়ে নিল জঙ্গিরা। আদৌ ওই চিঠিটি সঠিক কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি যারা ওই হুমকি চিঠি ছড়িয়েছে তাদেরও খোঁজ খবর করা হচ্ছে।
কয়েক বছর আগেও এরকমই একটি হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সেবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয় প্রধানমন্ত্রী রিহ্যভিলেশন প্যাকেজে যারা চাকরি পেয়েছেন তারা বাড়ি থেকে কাজ করুন। এবার সেই হুমকি আরও গুরুতর। এবার জঙ্গিরা প্রধানমন্ত্রীর রিহ্যাবিলেশন প্যাকেজে যারা চাকরি পেয়েছেন তাদের নামধাম, ফোন নম্বর-সব সব তথ্য প্রকাশ করে দিয়েছে। এমনকি কারও যদি কোনও গাড়ি থাকে তাহলে তাদের সেই গাড়ির নম্বররও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ওই হুমকি লিস্টে পণ্ডিতদের পুনর্বাসন এবং তাদের পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার চেষ্টাকে যতটা সম্ভব বাধা দেওয়া হয়েছে। তাদের “দেশদ্রোহী” ও হোয়াইট কলার টেররিস্ট বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ‘রুটস ইন কাশ্মীর’ সংগঠনের অমিত রায়না এই ইস্যুতে সুশীল সমাজ এবং কাশ্মীর কেন্দ্রিক রাজনৈতিক নেতৃত্বের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। রায়না বলেন, “নব্বইয়ের দশকেও তারা নীরব দর্শক হয়ে ছিলেন, যার কারণে ৫ লাখ কাশ্মীরি হিন্দু দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন। আর এবারও তারা পুরোপুরি চুপ করে আছেন।
হুমকি চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, তালিকায় থাকা ব্যক্তিরা মূলত আরএসএসের এজেন্ডা’ সফল করতেই কাশ্মীরে রয়েছেন।
(Feed Source: zeenews.com)
