)
Operation Sindoor: চৌহান বলেন, সেইসময় এয়ার অপারেশনস-এর ডিরেক্টর জেনারেল এয়ার মার্শাল একে ভারতী জানিয়েছিলেন, আমাদের টার্গেট কিরানা ছিল না
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের একটি পরমাণু কেন্দ্র আছড়ে পড়েছিল ভারতীয় ড্রোন। তবে এটি কোনও হামলা নয়, জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ার কারণেই সেই গিয়ে পড়ে পাকিস্তানের কিরানা পরমাণু কেন্দ্রে।
কাশ্মীরের বৈসারনে জঙ্গি হামলার পর পাক জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ভারত শুরু করেছিল অপারেশন সিঁদুর। ভারতের আঘাতে গুঁড়িয়ে গিয়েছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীর-সহ পাকিস্তানের একাধিক জায়গার জঙ্গি ঘাঁটি। সেইসময় একটি গুজব রটে যে ভারত পাকিস্তানের পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। সেই দাবি অস্বীকার করে ভারত। কিন্তু সেই দাবির এক বছর পর কিরানার হামলার রহস্য নিরসন করলেন প্রাক্তন সেনা সর্বাধিনায়ক জেনারেল অনিল চৌহান।
কী বলেছেন প্রাক্তন জেনারেল অনিস চৌহান?
তিনি বলেন, ইজরায়লে তৈরি ভারতের একটি হ্যারপ ড্রোন সীমান্তে পাক রেডারের খোঁজ করছিল। সেইসময় সেটির জ্বালানি ফুরিয়ে যায়। আর তার ফলেই সেটি পাকিস্তানের কিরানা পরমাণু কেন্দ্রের কাছে ভেঙে পড়ে বিস্ফোরণ ঘটায়। দিল্লিতে বিবেকানন্দ সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে চৌহান বলেন, আমরা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে হামলা চালাইনি।
চৌহান বলেন, সেইসময় এয়ার অপারেশনস-এর ডিরেক্টর জেনারেল এয়ার মার্শাল একে ভারতী জানিয়েছিলেন, আমাদের টার্গেট কিরানা ছিল না। ওইসময় কোনও আঘাত হানার আগে আমরা সারগোদা ও কিরানার পার্বত্য এলাকায় একাধিক ড্রোন পাঠিয়েছিলাম। ওইসব এলাকায় কোনও রেডার রয়েছে কিনা সেটাই খোঁজ করছিল ওইসব ড্রোন। এগুলোর ওড়ার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। এটি প্রায় দুই ঘণ্টার মতো আকাশে ঘুরে বেড়াতে পারে এবং যদি কোনো লক্ষ্যবস্তু না পায়, তবে শেষে কোথাও না কোথাও আঘাত করে।
জেনারেল এ-ও নিশ্চিত করেছেন যে পাকিস্তান-অধ্যুষিত কাশ্মীরের স্কর্দুতে হামলা চালানোর জন্য ভারতীয় বিমানবাহিনীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল, তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেই অভিযানটি বাতিল করতে হয়।
জেনারেল চৌহান আমাকে আরও বলেন, চিফ আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে সারগোদায় হামলা চালানো উচিত কি না। আমি বলেছিলাম, করুন। পাশাপাশি আরও বলেছিলাম আরও দুটি লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করুন। তিনি যেসব লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করেছিলেন তার একটি ছিল স্কর্দু। আমরা সম্মতি জানিয়েছিলাম, কিন্তু কিছু সময় পর স্কর্দুতে আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায় এবং তাঁদের পরিকল্পনা পরিবর্তন করে ভোলাড়িতে সরে যেতে হয়েছিল।
ভোলাড়িতে ভারতীয় বায়ুসেনার হামলাটি ছিল সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গান্ধীনগর-ভিত্তিক ভারতীয় বিমানবাহিনীর সাউথ ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ড ওই অপারেশন চালিয়েছিল। স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছিল ভবনটির ছাদে একটি বড় গর্ত তৈরি হয়ে গিয়েছিল। নিচে একটি অন্ধকার, ধসে পড়া জায়গা দেখা যাচ্ছিল। হ্যাঙ্গার থেকে রানওয়েতে যাওয়ার রাস্তায় ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়েছিটিয়ে ছিল।
(Feed Source: zeenews.com)
