উদ্ধারকাজে সাহায্য-প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল, শেষমেশ ইউটার্ন নেপালের ; কোন কোন দেশকে অনুমতি

উদ্ধারকাজে সাহায্য-প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল, শেষমেশ ইউটার্ন নেপালের ; কোন কোন দেশকে অনুমতি

 

নয়াদিল্লি : পুরনো অবস্থান থেকে ইউটার্ন। ত্রাণের পাশাপাশি এবার উদ্ধারকাজেও বিদেশি সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল নেপাল সরকার। হড়পা বানের পর সমগ্র এলাকায় যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তা খতিয়ে দেখেছে নেপালের ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট সেন্টার। তারপরই ভারত, চিন, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার এক্সপার্ট ও টেকনিক্যাল টিমের সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

সুড়ঙ্গে আটকে পড়া মানুষজনকে খুঁজে বের করে তাঁদের উদ্ধারের কাজে সাহায্য করবে এই দলগুলি। এর পাশাপাশি ডিএনএ পরীক্ষা করে দেহের শনাক্তকরণের কাজও করবে তারা। করা হবে ফরেন্সিক তদন্ত। বিভিন্ন দেশের পর্যটক নেপালে বেড়াতে গিয়ে এই বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছেন। তাঁদের উদ্ধারের বিষয়ে দেশগুলির চাপ রয়েছে নেপালের ওপর। তার জেরেই নেপাল সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

‘দ্য কাঠমাণ্ডু পোস্টকে’ নেপাল সরকারের সিনিয়র এক আধিকারিক বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে আমরা ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছি-অন্তত উদ্ধারকারী দল ও কিছু বিশেষজ্ঞকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য-কারণ বন্যায় তাদের দেশের নাগরিকরাও নিখোঁজ হয়েছেন। আমরা নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সীমিত সংখ্যক বিশেষজ্ঞকে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছি।

বালেন শাহ-নেতৃত্বাধীন সরকার আগেই আস্থা রেখে বলেছিল যে, তাদের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় সক্ষম। এছাড়া, নিখোঁজ থাকা হাজার হাজার বিদেশি নাগরিকের বিষয়ে তথ্য সমন্বয়ের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ৫১৭ জন বিদেশি এবং ৯৩৩ জন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মী রয়েছেন। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট নদীগুলিতে জলের প্রবল স্রোত বা দেওয়ালের মতো জলের তোড় ধেয়ে এসেছিল।

আকাশে চক্কর কাটছে সেনা হেলিকপ্টার। পাখির চোখে দেখছে ড্রোন। যুদ্ধকালীন তৎপরতার উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন নেপালের সেনা জওয়ানরা। দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধার করা হচ্ছে এবং আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এখনও নিখোঁজ হাজার। জল-কাদা-পাথরের ঢেউয়ে তছনছ হয়ে গিয়েছে গোটা বাজার। দোতলা বাড়ির ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে স্রোত। ধ্বংস হয়ে গিয়েছে সব কিছু। সাক্ষাৎ মৃত্যুর হাত থেকে কোনওমতে পালিয়ে বেঁচেছেন কেউ…..। কেউবা চিরতরে চাপা পড়েছেন ধ্বংসস্তূপের নীচে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ। জীবনের খোঁজে উড়ছে সেনা হেলিকপ্টার। উড়ছে ড্রোন। Nepal Flash Flood

(Feed Source: abplive.com)