)
Bureau of Immigration boarding pass stamping discontinued: এতদিন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে যাত্রীদের পাসপোর্ট ও বোর্ডিং পাসে ইমিগ্রেশন কাউন্টার থেকে সিল বা স্ট্যাম্পিং বাধ্যতামূলক ছিল। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, যাত্রীদের পাসপোর্ট পরীক্ষার পর যাবতীয় তথ্য সরাসরি ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় ইমিগ্রেশন ডেটাবেসে নথিভুক্ত হয়ে যাবে।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: দেশের সব বিমানবন্দরে বড় প্রযুক্তিগত সংস্কার আনল ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন (BoI)। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রীদের বোর্ডিং পাসে আর কোনও ইমিগ্রেশন স্ট্যাম্প মারা হবে না। বিমানযাত্রাকে আরও দ্রুত, ঝামেলামুক্ত এবং সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার লক্ষ্যেই এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতদিন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে যাত্রীদের পাসপোর্ট ও বোর্ডিং পাসে ইমিগ্রেশন কাউন্টার থেকে সিল বা স্ট্যাম্পিং বাধ্যতামূলক ছিল। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, যাত্রীদের পাসপোর্ট পরীক্ষার পর যাবতীয় তথ্য সরাসরি ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় ইমিগ্রেশন ডেটাবেসে নথিভুক্ত হয়ে যাবে। এর ফলে বোর্ডিং পাসের কাগজের টুকরোতে ফিজিক্যাল স্ট্যাম্প মারার আর কোনো প্রয়োজন থাকবে না। বিমান সংস্থা এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে এই ডিজিটাল তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিঙ্ক হয়ে যাবে।
কেন এই পরিবর্তন?
ব্যুরো অব ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কারণ:
সময় সাশ্রয় ও যানজট নিয়ন্ত্রণ: ইমিগ্রেশন কাউন্টারগুলিতে যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো শুধুমাত্র সিল মারার আনুষ্ঠানিকতার জন্য। স্ট্যাম্পিং বন্ধ হলে যাত্রী প্রতি প্রসেসিং টাইম অনেকটাই কমবে, ফলে আন্তর্জাতিক টার্মিনালগুলিতে ভিড় দ্রুত ফাঁকা হবে।
বিমানের বোর্ডিং প্রক্রিয়া সহজ করা: যাত্রীদের অনেক সময় বোর্ডিং পাসের স্ট্যাম্প আবছা হয়ে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়ার কারণে সমস্যার মুখে পড়তে হতো। ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভেরিফিকেশন নিশ্চিত থাকায় বোর্ডিং গেটে অতিরিক্ত জটিলতা দূর হবে।
ডিজিটাল ইন্ডিয়া ও পেপারলেস ট্রাভেল: ডিজিযাত্রা (DigiYatra) এবং বায়োমেট্রিক সিস্টেমের ব্যাপক প্রসারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক যাত্রাকেও সম্পূর্ণ কাগজবিহীন (Paperless) করার পথে এটি একটি বড় ধাপ।
নিরাপত্তা আরও কঠোর করা: শারীরিক স্ট্যাম্প জালিয়াতির সুযোগ থাকলেও উন্নত ডিজিটাল ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়ায় তথ্য বিকৃতির কোনো সুযোগ থাকে না। কেন্দ্রীয় সার্ভারে যাত্রীর প্রস্থান ও আগমনের রিয়েল-টাইম তথ্য সংরক্ষিত থাকবে।
যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, বোর্ডিং পাসে স্ট্যাম্প দেওয়া বন্ধ হলেও ইমিগ্রেশন যাচাইয়ের মূল প্রক্রিয়ায় কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। যাত্রীদের আগের মতোই পাসপোর্ট এবং ভিসার বৈধতা প্রমাণ করতে হবে। ডিজিটালভাবে সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই যাত্রীরা প্রস্থান এলাকায় যাওয়ার অনুমতি পাবেন।
বিমানবন্দর পরিচালন সমিতি এবং উড়ান সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই নতুন এই ডিজিটাল ফ্রেমওয়ার্কের সঙ্গে নিজেদের সিস্টেম মানিয়ে নেওয়ার কাজ সম্পন্ন করেছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের সমস্ত প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক যাত্রীদের বিমানবন্দর যাত্রা আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময় ও গতিশীল হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
(Feed Source: zeenews.com)
