)
Social Media Influencer Death: ঘটনাস্থলে মনজিতের এক বন্ধু সময়মতো পৌঁছে কম্বল জড়িয়ে আগুন নেভান। তিনি তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে মোরিন্ডার একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে মোহালির একটি বেসরকারি হাসপাতালে এবং শেষ পর্যন্ত চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআর-এ স্থানান্তরিত করা হয়। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর শেষপর্যন্ত হার মানেন তিনি।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অপহরণ করে বেধড়ক মারধর। তারপর গাছে বেঁধে জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেয় জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সরকে। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ার পর অবশেষে মৃত্যু হল ২৮ বছরের মনজিত্ কৌরের। গত ২৬ অগাস্ট চিকিত্সাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। হাড়হিম ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ৩ জুলাই। মনজিতের মা অভিযোগ করেন যে, শুভি ও পিন্ডা নামের দুই পরিচিত লোক মনজিৎকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৩৪-এর একটি মদের দোকানের কাছে ডাকে। সেখান থেকে তাঁকে জোর করে পঞ্জাবের মোরিন্ডায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তারপর একটি গাছে বেঁধে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে মনজিতের এক বন্ধু সেখানে ছুটে যান। তিনি কম্বল দিয়ে আগুন নেভান। এরপর মনজিৎকে উদ্ধার করে মোরিন্ডার একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে মোহালির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা আরও খারাপ হলে মনজিত্কে চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ইনস্টাগ্রামে মনজিতের প্রায় ১.৪৬ লাখ ফলোয়ার্স। তিনি পঞ্জাবি ও হরিয়ানভি গানের ভিডিয়ো পোস্ট করতেন। তাঁর মৃত্যুর পর পুলিস খুনের মামলা দায়ের করেছে। দুষ্কৃতীদের ধরতে সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হচ্ছে। তবে এই হামলার আসল কারণ এখনও জানা যায়নি। মনজিতের মায়ের দাবি, গত ৫ অগাস্ট মনজিতের জ্ঞান ফিরেছিল। তিনি পুলিসকে খবর দিয়েছিলেন মনজিতের বয়ান নেওয়ার জন্য। কিন্তু পুলিস আসেনি। তবে পুলিস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, পরিবারের সঙ্গে পুরো সহযোগিতা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে জিমের সামনে গুলিতে ঝাঁঝরা করে খুন করা হয় হরিয়ানার জনপ্রিয় গায়ককে। মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন জনপ্রিয় গায়ক এবং ইউটিউবার। নিহতের নাম ৩৫ বছরের অঙ্কিত বালিয়ান। উত্তরপ্রদেশের শামলীতে গত বুধবার সন্ধ্যেবেলা জিমের বাইরে অন্তত ২০ রাউন্ড গুলিতে ঝাঁঝরা করা হয় অঙ্কিততে।
মৃত অঙ্কিত বালিয়ান শামলীর বাঁতিকেরা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বিগত কয়েক বছর ধরে হরিয়ানার রোহতক ও সোনিপথে থেকে তাঁর গান এবং অভিনয়ের কেরিয়ারে এগোচ্ছিলেন। গত এক বছর ধরে তিনি প্রতিদিনের মতো শামলীর ওই জিমে ব্যায়ামচর্চা করতে আসতেন। গত বুধবার সন্ধ্যেবেলায় আনুমানিক ৭টা নাগাদ ওয়ার্কআউট শেষ করে জিম থেকে বেরিয়ে নিজের গাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বাইকে করে আসা আততায়ীরা তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর লরেন্স বিষ্ণোই গোষ্ঠীর সহযোগী ‘গোগি গ্যাং’ সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খুনের দায় স্বীকার করেছে। ভোলু শাহপুরিয়া নামের এক গ্যাং সদস্যের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করে জানানো হয় যে, অঙ্কিত প্রতিপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন এবং তাঁদের নিয়ে গান তৈরি করেছিলেন। পোস্টে তারা হুমকি দিয়ে লিখেছে, ‘এটি তো কেবল শুরু, সবার পালা আসবে।’ একই সঙ্গে তারা উত্তর প্রদেশ পুলিসকেও চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
(Feed Source: zeenews.com)
