
কিন্তু একটা প্রবাদ আছে, “রাখে হরি, মারে কে?” আর এখানে যেন সত্যি হয়েছে সেই প্রবাদই। কারণ, ত্রিশূলী নদীর সেই ফুলে ফেঁপে ওঠার পর বর্তমানে ওই এলাকায় প্রায় কয়েক ফিট চাপা পড়েছে কাদমটিতে। ভেঙে গিয়েছে আশেপাশের সব বাড়ি। আর সেই ধ্বংসস্তূপের মধ্যে মাঠ উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে ওই বাড়িটা।
ওই বাড়িতে যাঁরা আটকে ছিলেন, তাঁদের উদ্ধার করেছে নেপালের সেনাবাহিনী ও নেপাল প্রশাসনের যে উদ্ধারকারী দল, সেটাই। পাহাড়ের ঢল থেকে ওই বাড়ির চারতলার বারন্দা পর্যন্ত একটা সেতু তৈরি করে, বাড়ির মধ্যে আটকে থাকা মানুষজনকে বের করে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িটি আসলে একটি পাঁচ তলা বাড়ি। ইতিমধ্যে যে পরিমাণ পলি ও কাদা জমেছে তাতে বাড়ির নীচের তিনটে তলা ইতিমধ্যেই চাপা পড়ে গিয়েছে। চারতলার কিছুটা জায়গায় কাদা জমেছে। যদিও পাঁচতলার বারন্দায় এখনও কাদা দেখা যাচ্ছে না।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল এই বাড়ির মধ্যে যাঁরা আটকে রয়েছেন, তাঁদের বাঁচার জন্য অন্য কোনও পথ ছিল না। কারণ, বাড়ির নীচের তলাগুলো ইতিমধ্যেই জলের নীচে চলে গিয়েছিল। ফলে যে কোনও ভাবেই তাদের উপর থেকে উদ্ধার করতে হত। আর সেই উদ্ধারের কাজ করতে হত অবশ্যই উপরের দিক থেকে।
জলের স্রোত ও পাহাড় থেকে নেমে আসা পলি, কাদা ও ধ্বংসাবশেষ এতই বেশি ছিল যে সব কিছুকে কাটিয়ে নেপালের সেনাবাহিনী অবশেষে উপর দিক দিয়েই তাদের উদ্ধার করে। এই বাড়িটার আশেপাশে যতগুলো বাড়ি ছিল, সবই পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। আর সেই ঘটনার সাক্ষী হয়ে শুধুমাত্র দাঁড়িয়ে রয়েছে এই বাড়িটিই।
