
Gangasagar: পর্যটকদের আকর্ষণ করতে গঙ্গাসাগর ও বকখালিতে নতুন পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গঙ্গাসাগরে হেরিটেজ মিউজিয়াম এবং বকখালিতে মেরিন অ্যাকোরিয়াম ও ওশান ইন্টারপ্রিটেশন সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই দুই প্রকল্পের ডিটেইল্ড প্রজেক্ট রিপোর্ট (ডিপিআর) পর্যটন দফতরে জমা দিয়েছেন সাগরের বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল।
বকখালি, নবাব মল্লিক: পর্যটকদের আকর্ষণ করতে গঙ্গাসাগর ও বকখালিতে নতুন পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গঙ্গাসাগরে হেরিটেজ মিউজিয়াম এবং বকখালিতে মেরিন অ্যাকোরিয়াম ও ওশান ইন্টারপ্রিটেশন সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই দুই প্রকল্পের ডিটেইল্ড প্রজেক্ট রিপোর্ট (ডিপিআর) পর্যটন দফতরে জমা দিয়েছেন সাগরের বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডল।
প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও পর্যটন সম্ভাবনা আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বকখালির মেরিন অ্যাকোরিয়ামে পাঁচটি গ্যালারি তৈরির প্রস্তাব রয়েছে। সেখানে সামুদ্রিক মাছ, শার্ক, জেলিফিশ, ম্যানগ্রোভ ও প্রবাল-সহ বিভিন্ন সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য প্রদর্শনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। কাচের বিশেষ ট্যাঙ্কে সংরক্ষিত সামুদ্রিক প্রাণী ও উদ্ভিদ পর্যটকদের সমুদ্রের নীচের জগত সম্পর্কে ধারণা দেবে।
এছাড়াও সামুদ্রিক প্রাণী ও বাস্তুতন্ত্র নিয়ে গবেষণার জন্য একটি অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। ওশান ইন্টারপ্রিটেশন সেন্টারে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে, থাকবে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নানা প্রদর্শনী ও তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনা। ফলে ছোট থেকে বড়—সব বয়সের পর্যটকদের কাছেই এই কেন্দ্র আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।
অন্যদিকে, গঙ্গাসাগরের হেরিটেজ মিউজিয়ামে তুলে ধরা হবে কপিল মুনির আশ্রমের ইতিহাস, গঙ্গাসাগর মেলার ঐতিহ্য এবং মেলার সূচনার ইতিহাস। পাশাপাশি সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য, লোকসংস্কৃতি, মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনও প্রদর্শিত হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যে তৈরি করা হবে ডিজিটাল প্রদর্শনীও।
জানা গিয়েছে, দুই প্রকল্পের জন্য কোথায় এবং কতটা জায়গা ব্যবহার করা হবে, তা প্রায় চূড়ান্ত। এবার ভবন নির্মাণ ও পরিকাঠামো তৈরিতে কত খরচ হতে পারে, তা বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে জানা হবে। এরপর সেই অনুযায়ী প্রকল্পের পরবর্তী কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। বিধায়ক সুমন্ত মণ্ডলের জানিয়েছেন, “বকখালি বা গঙ্গাসাগরে পর্যটকরা কেন আসবেন, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে এমন কিছু আকর্ষণ তৈরি করা দরকার, যা মানুষকে আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি নতুন কিছু জানার সুযোগ করে দেবে। এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে আরও বেশি পর্যটক এখানে আসবেন বলে আশা করছি।”
(Feed Source: news18.com)
