)
Sense Fall: দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি (Kospi) সূচক ১.৬৫% এবং জাপানের নিক্কেই ২২৫ (Nikkei 225) সূচক ১.০৩% হ্রাস পেয়েছে। হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক ০.৭১%, চিনের সাংহাই কম্পোজিট ০.২০% এবং অস্ট্রেলিয়ার এএসএক্স ২০০ সূচক ০.১০% পতনের মুখ দেখেছে। মার্কিন ফিউচার্স সূচকগুলোতেও দুর্বলতা দেখা যায়।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সপ্তাহের প্রথম দিনেই ভারতীয় শেয়ার বাজারে বিরাট ধস। বেঞ্চমার্ক সূচক নিফটি ৫০০ প্রায় ০.৭৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ২৪,০০০ স্তরের নিচে নেমে ২৩,৯৯৭.১০ অঙ্কে পৌঁছয়। অন্যদিকে বিএসই সেনসেক্স ০.৬৬ শতাংশ বা ৫০০ পয়েন্টের বেশি কমে দাঁড়িয়েছে ৭৬,৭৫১.৩২-এর স্তরে। আন্তর্জাতিক বাজারের যুদ্ধ, মূল্যবৃদ্ধি, অর্থের দুর্বলতা, অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং আরও অন্যান্য কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রি করে দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
১. এমএসসিআই (MSCI) পোর্টফোলিও অ্যাডজাস্টমেন্ট:
এমএসসিআই (MSCI) সূচক তহবিলের ১ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তনের আগে ফান্ডগুলি তাদের পোর্টফোলিও সমন্বয় বা রিব্যালেন্সিং করছে। সাধারণত বেঞ্চমার্কের সঙ্গে পোর্টফোলিও মেলানোর জন্য ফান্ড ম্যানেজাররা আগের দিনই শেয়ার কেনাবেচা সম্পন্ন করেন। এই প্রক্রিয়াটি ভারতীয় বাজারের নতুন ক্লোজিং অকশন সিস্টেমের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে এবং উল্লেখযোগ্য আউটফ্লোর কারণে বাজারে বিক্রির চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
২. এশিয়ার অন্যান্য শেয়ার বাজারে দুর্বলতা:
মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ফেডারেল রিজার্ভের সম্ভাব্য সুদের হার বৃদ্ধি নিয়ে মন্তব্য আসায় বিশ্বজুড়ে বাজার চাপে পড়েছে। এর জেরে সোমবার এশিয়ার প্রধান স্টক মার্কেটগুলিতে বড় পতন দেখা যায়। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি (Kospi) সূচক ১.৬৫% এবং জাপানের নিক্কেই ২২৫ (Nikkei 225) সূচক ১.০৩% হ্রাস পেয়েছে। হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক ০.৭১%, চিনের সাংহাই কম্পোজিট ০.২০% এবং অস্ট্রেলিয়ার এএসএক্স ২০০ সূচক ০.১০% পতনের মুখ দেখেছে। মার্কিন ফিউচার্স সূচকগুলোতেও দুর্বলতা দেখা যায়।
৩. অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা:
হরমুজ প্রণালীর কাছে লারক দ্বীপে মার্কিন সামরিক অভিযানের পর মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা নতুন করে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেলে ৮৯.৩০ ডলারে পৌঁছেছে। ভারত তার প্রয়োজনীয় খনিজ তেলের সিংহভাগ আমদানি করায় অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়লে তা দেশের অর্থনীতি ও কর্পোরেট লাভের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা শেয়ার বাজারের ওপর চাপ তৈরি করেছে।
অর্থনৈতিক ডেটার অপেক্ষায় বিনিয়োগকারীরা
আন্তর্জাতিক চাপের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরা দেশের ত্রৈমাসিক জিডিপি (GDP) এবং রাজকোষ ঘাটতি (Fiscal Deficit) সংক্রান্ত আর্থিক তথ্যের প্রকাশের অপেক্ষায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। যদিও ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশের বেশি থাকার প্রত্যাশা রয়েছে, তবুও বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে অভ্যন্তরীণ বাজারে তাৎক্ষণিক সংশোধনের মুখে পড়েছেন ট্রেডার ও বিনিয়োগকারীরা।
(Feed Source: zeenews.com)
