
মূলত, বিল বোর্ড খুলতে পুলিশ-পুরকর্মীদের বাধা দেওয়া হয়, মারধর করা হয়, এমনকি শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। যে অভিযোগের প্রেক্ষিতে জামিন অযোগ্য ধারায়, এফআইআর রুজু হয়। যেখানে নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ডেরেক ও ব্রায়েন, সুমিত রায় , বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় এবং হুমায়ুন কবীরের।
ক্যামাক স্ট্রিট-কাণ্ডে সোমবার পুলিশের তলবে হাজিরা দিলেন না ডেরেক ও ব্রায়েন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর বাড়িতে গিয়ে দ্বিতীয় নোটিস ধরাল শেক্সপিয়ার সরণি থানা। একই মামলায় মঙ্গলবার তলব করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বুধবার ডাকা হয়েছে তাঁর আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে।ক্যামাক স্ট্রিট-কাণ্ডে পরপর ৩দিন তলব করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় ও কালীঘাট তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েনকে। কিন্তু সোমবার পুলিশের তলবে হাজিরা দিলেন না ডেরেক। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর বাড়িতে গিয়ে দ্বিতীয় নোটিস ধরাল শেক্সপিয়ার সরণি থানা।
অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের অফিসের ওপরে থাকা এই বিল বোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে, বৃহস্পতিবার ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় ক্যামাক স্ট্রিটে। অফিসে ঢোকার সময় বাধার মুখে পড়তে হয় পুলিশ ও পুরসভার আধিকারিকদের। অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ব্য়ক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের ব্য়াপক ধস্তাধস্তি। এমনকী মারধরও করা হয় পুলিশকে। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়, ডেরেক’ও ব্রায়েনদের বিরুদ্ধে একই উদ্দেশে অপরাধ সংগঠিত করতে জমায়েত, সরকারি কর্মীর কাজে বাধা শ্লীলতাহানি-সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হয়। সোমবার বেলা ১২টায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় তলব করা হয় ডেরেক ও’ব্রায়েনকে। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরোলেও হাজির হননি তিনি।
পুলিশ সূত্রে খবর, আইনজীবী মারফত ইমেল করে জানানো হয়, সোমবার হাজিরা দিচ্ছেন না ডেরেক ও’ব্রায়েন। এরপরই প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় পুলিশ।এই মামলায় শনিবার রাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে যায় পুলিশ। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় তাঁকে শেক্সপিয়র সরণি থানায় তলব করা হয়েছে তাঁকে। বুধবার ডাকা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, বেশিদিন এইসব গুন্ডামি, মস্তানি চলবে না।’
‘কালীঘাট তৃণমূল’ বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায় বলেন, ‘অভিষেকেরও একই অবস্থা। তার বিরুদ্ধে FIR আছে। জামিন অযোগ্য় ধারা আছে। এই যে রাজনৈতিক কর্মীরা ম্য়াসিভ কোনও মারপিট, দাঙ্গার মধ্য়ে যুক্ত না হয়ে যায়, বা তাদের হাতে লাঠি, অস্ত্রসস্ত্র না থাকে, তাদের বিরুদ্ধে এই কেস দেওয়া যায় না।’ সোমবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যয়ের অফিসে যায় শেক্সপিয়ার সরণি থানার পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখে ছবি তোলেন তাঁরা।
(Feed Source: abplive.com)
