
এই ছাঁটাইয়ের ফলে উবারের ম্যানেজারদের মোট সংখ্যা ২০ শতাংশ কমে যাবে, যদিও ঠিক কতজন ম্যানেজারকে ছাঁটাই করা হবে, সে বিষয়ে কোম্পানির তরফে কিছু জানানো হয়নি। কিছু ম্যানেজারকে ‘ইনডিভিজুয়াল কন্ট্রিবিউটর’ বা স্বতন্ত্র কর্মী হিসেবে অন্য পদে স্থানান্তর করা হবে। তবে এই ছাঁটাই প্রক্রিয়ার প্রভাব ম্যানেজার নন এমন কর্মীদের ওপরও পড়বে। ফলে এটি কেবল ম্যানেজমেন্ট-কেন্দ্রিক কোনও পদক্ষেপ না হয়ে বরং কোম্পানির সামগ্রিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় পরিণত হবে।
ই-মেলে খোসরোশাহি উল্লেখ করেছেন যে, গত পাঁচ বছরে উবারের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর কার্যক্রম অনেক বেশি জটিল হয়ে পড়েছে ; অতিরিক্ত স্তর ও সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে ধীর করে দিয়েছে।
খবর অনুযায়ী, উবার তাদের কর্মীদের কর্মস্থলের বিষয়েও পরিবর্তন আনছে। নিউ ইয়র্ক ও সান ফ্রান্সিসকোর মতো প্রধান কেন্দ্রগুলিতে তাদের বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা টিমগুলিকে একত্রিত করছে কোম্পানি। অন্যদিকে আঞ্চলিক, দেশভিত্তিক এবং প্রযুক্তি বিষয়ক দলগুলি নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে কাজ করবে। উবার দূরবর্তী স্থান থেকে কাজ করা (রিমোট ওয়ার্ক) অধিকাংশ কর্মীকে অফিসে ফিরে আসার নির্দেশ দিচ্ছে এবং জানিয়েছে যে, ভবিষ্যতে মাত্র ১ শতাংশ কর্মী দূর থেকে কাজ করার সুযোগ পাবেন। সপ্তাহে তিন দিন অফিসে এসে কাজ করার যে নীতি রয়েছে, তা অব্যাহত থাকবে। উবার জানিয়েছে, কর্মী ছাঁটাইয়ের ফলে যে অর্থ সাশ্রয় হবে, তা কোম্পানির বৃদ্ধি, উদ্ভাবন এবং স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের দিকে কাজে লাগানো হবে।
প্রসঙ্গত, AI কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতেই কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটছে বহু কোম্পানি। বিশেষ করে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছে প্রযুক্তি সংস্থাগুলি। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই ছাঁটাইয়ের প্রভাব থেকে বাদ পড়বে না ভারত। দেশের হাজারের বেশি কর্মীর চাকরি যেতে পারে এই ছাঁটাই পর্বে। আতঙ্কের রেশ ছড়িয়েছে বিভিন্ন সেক্টরে। আগামীদিনে কী হতে চলেছে সে চিন্তাই এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরতদের মধ্যে।
