
General Knowledge Story: সাধারণ জ্ঞান নিয়ে আমাদের সকলেরই কম-বেশি কৌতুহল রয়েছে। তেমনই একটি প্রশ্ন এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। যার উত্তর দিতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছে অনেকেই।
প্রতিযোগিতামূলক ও চাকরির পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য সাধারণ জ্ঞান এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর গুরুত্ব অপরিসীম। অজানা সব চমকপ্রদ তথ্য যেমন মানুষের সাধারণ জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে সাহায্য করে, তেমনই নানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের অনেকটাই এগিয়ে রাখে। সম্প্রতি এমনই একটি প্রশ্ন নেটদুনিয়ায় ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে, যার উত্তর দিতে গিয়ে অনেকেই ভুল করে বসেন।
পৃথিবীর সব থেকে ছোট দেশের নাম জিজ্ঞাসা করলে বেশিরভাগ লোকেই ভ্যাটিকান সিটির কথা বলে। কিন্তু আপনারা জেনে অবাক হবেন পৃথিবীতে ভ্যাটিকান সিটির থেকেও অনেক ছোট দেশ রয়েছে।
ইংল্যান্ডের উত্তর সাগরে এই রাষ্ট্রটির অবস্থান। ইংরেজি ভাষা প্রচলিত এবং মুদ্রার নাম সিল্যান্ড ডলার। বাইরের দেশে এই মুদ্রা চলে না। দেশের জনসংখ্যা আরও অবাক করার মত। আমাদের দেড়শো কোটির দেশ যা জানলে হাসি পাবে। সিল্যান্ডের জন সংখ্যা মাত্র ২৭ জন।
প্রিন্সিপালিটি অব সিল্যান্ড’-এর নিজস্ব পতাকা, রাজধানী, পাসপোর্ট, মুদ্রা, রাজা, রানী, জনগণ সবকিছুই রয়েছে। এটি আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত একটি সমুদ্র বন্দর। জার্মান সেনাকে ঠেকাতে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এটি বানিয়েছিল। যা পরে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
১৯৬৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ নাগরিক মেজর প্যাডাজ রায় বেটস এবং তার পরিবার এই জায়গাটির স্বত্বাধিকারী হোন। তারপর তারা এটাকে একটি স্বাধীন মাইক্রো রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে দেন। এখানে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষ শাসন করেছে।

৯ অক্টোবর ২০১২ সালে রয় বেটসকে এখানে রাজা বলে ঘোষণা করা হয়। আর তার মৃত্যুর পর তার ছেলে মাইকেল এখন এর শাসক হন। পৃথিবীর কোনও দেশ এখনও সিল্যান্ডকে স্বীকৃতি না দিলেও কেউ তাদের বিরোধিতা করেনি। মাইক্রো নেশন হিসেবে বিশ্ব জুড়ে পরিচিত এই ‘প্রিন্সিপালিটি অব সিল্যান্ড’-এর।
(Feed Source: news18.com)
