
‘বন্দেমাতরম’ পুরো গাওয়া নিয়ে শর্মিলার মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন মুকেশ। তাঁর কথায়, “উনি নিজের বোঝাপড়া থেকে ওই কথা বলেছেন। জানি না কেন বলেছেন ওসব। হতে পারে নিজের মতামত জানিয়েছে। অন্য ধর্মের মানুষ বুঝবেন না, বা গ্রহণ করবেন না বলেছেন উনি।” (Mukesh Khanna Attacks Sharmila Tagore)
তবে শর্মিলার মতামতের বিরোধিতা করেই থামেননি মুকেশ। ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও শর্মিলাকে আক্রমণ করেন তিনি। বলেন, “বিয়ের পর কি উনি ইসলামের অস্তিত্ব বুঝতে পারলেন? বেগম হওয়ার পর কি বুঝলেন যে মুসলিমরা অন্য ধর্মকে অনুসরণ করে? আপনি বিয়ের জন্য আয়েশা বেগম হয়েছেন। আয়েশা বেগমের মতোই কথা বলছেন আপনি। আমি অবাক যে গোটা জীবন হিন্দুধর্ম নিয়ে বেঁচে থাকার পর হঠাৎ করে অন্য ধর্মের প্রতি উদ্বেগ জন্মাল।”
শর্মিলা যে বাঙালি পরিবারের মেয়ে, তাও তুলে ধরেন মুকেশ। তাঁর কথায়, “আপনি বাংলায় বড় হয়েছেন, যেখানে বড় করে কালীপুজো হয়। বাঙালি সংস্কৃতিতে বড় হয়েছেন, বাংলা ছবি দেখে বড় হয়েছেন। এখন কেন আপনার মনে হল যে অন্য ধর্মের মানুষ গ্রহণ করবে না?”
‘বন্দেমাতরমে’ হিন্দু দেবদেবীর নাম রয়েছে বলেই মুসলিমদের তাতে আপত্তি বলে মানতে নারাজ মুকেশ। তাঁর দাবি, মুসলিমরা একেশ্বেরর সামনে নত হওয়ার শিক্ষা পেয়েছেন বলেই এত উদ্বেগ বিষয়টি নিয়ে। তাঁর কথায়, “এই আপত্তি আজকের নয়। যুক্তি দেওয়া হয় যে, শুধু খোদার সামনে নত হতে পারেন তাঁরা। তাই আর কারও সামনে নত হবেন না।”
যদিও শর্মিলাকে যেভাবে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন মুকেশ, তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছেন। এর আগে ‘বন্দেমাতরম’ বিতর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শর্মিলাকে বলতে শোনা যায়, ““আমার মনে হয়, বহু ধর্মপ্রাণ মানুষ রয়েছেন, যাঁরা বহু দেবদেবীর পরিবর্তে একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। ‘বন্দে মাতরমে’র একটি স্তবকে অনেক দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। যাঁরা একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী, তাঁদের জন্য ‘বন্দে কালী’, ‘বন্দে দুর্গা’ বলাটা কঠিন। তাই ভারতের সমস্ত ধর্মপ্রাণ মানুষের কথা বিবেচনা করলে, গানটির প্রথম দুটি স্তবকই সবচেয়ে উপযুক্ত।” সেই নিয়ে শর্মিলাকে আক্রমণ করেন বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউতও।
(Feed Source: abplive.com)
