)
Pakistani soldiers killed: একটি হামলায় পাক সেনার কনভয়ে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে দুটি গাড়ি ধ্বংস করে দেয়। আরেকটি হামলায় বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি নিয়ে গিয়ে রিমোট-কন্ট্রোলড বিস্ফোরণ ঘটায়।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর বড়সড় হামলা চালাল বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। পৃথক দুটি হামলায় অন্তত ২৫ জন পাকিস্তানি সেনা জওয়ান নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। হামলার পর বিএলএ-র পক্ষ থেকে একটি ‘সিনেমাটিক স্টাইলের’ ভিডিয়ো প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে সেনা ট্রাকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অস্ত্রশস্ত্র ছিনতাইয়ের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।
বিএলএ-র মুখপত্র ‘হক্কাল’-এর দাবি অনুযায়ী, প্রথম হামলাটি চালানো হয় জিয়ারত ক্রসের কাছে। সেখানে বিএলএ-র ‘ফতেহ স্কোয়াড’ পাক সেনার কনভয়ে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে দুটি গাড়ি ধ্বংস করে দেয় এবং ১৮ জন সেনাকে হত্যা করে। দ্বিতীয় হামলাটি চালানো হয় সূরাবের হাজিকা এলাকায়। সেখানে তাদের বিশেষ শাখা ‘স্টোস’ (STOS) একটি বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি নিয়ে গিয়ে রিমোট-কন্ট্রোলড বিস্ফোরণ ঘটায়। আরও ৭ জন সেনাকে হত্যা করে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে সেনা ট্রাকে আগুন জ্বলতে। সেইসঙ্গে বিএলএ যোদ্ধাদের পাক সেনাদের অস্ত্র দখল করতেও দেখা গিয়েছে। যদিও হামলার ঘটনার বিষয়ে পাক সেনার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে কোনও হতাহতের সংখ্য়া প্রকাশ করা হয়নি। তবে পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, নিহত সেনা জওয়ানদের দেহ গোপনে তাঁদের পরিবারের কাছে পাঠানো হচ্ছে। এই হামলার পর পাকিস্তান সেনাবাহিনীও ব্যাপকভাবে দমনপীড়ন ও প্রত্যাঘাতমূলক অভিযান শুরু করেছে।
মস্তুং, সিব্বি, কোয়েটা এবং কালাত জেলায় পাক সেনা পালটা অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪৮ জন বিএলএ ও টিটিপি সমর্থককে হত্যা করেছে বলে দাবি করেছে। প্রসঙ্গত, বহু দশক ধরেই বালোচিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে সেখানে বিএলএ-সহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছে। এমনকি বালোচ জাতীয়তাবাদীরা প্রতি বছর ১১ আগস্ট তারিখটিকে বালোচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস হিসেবেও পালন করে থাকেন। বালোচিস্তানের রয়েছে নিজস্ব পতাকাও।
(Feed Source: zeenews.com)
