)
JK Lashkar Commander Death: ইয়াসির আগে লস্কর-ই-তৈয়েবার ‘সুলাইমান মুসা’ গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিল। প্রায় এক বছর আগে সে ওই দল থেকে আলাদা হয়ে যায়
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নিরাপত্তা বাহিনীর অপারেশনে খতম লস্কর কমান্ডার। নাম ইয়াসির। লস্কর-ই-তৈবার ওই কমান্ডার আদতে পাক নাগরিক। এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে নিরাপত্তা বাহিনীর সতর্কতা-“তুমি পালাতে পারো, কিন্তু লুকাতে পারবে না!’
অপারেশন ‘আশদার’ নামে ওই অপারেশ মধ্য কাশ্মীরের বাদগাম জেলার আশদার গালি এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর চিনার কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে চালায়। ইয়াসিরকে খতম করার পর নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে বলা হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে শান্তি বিনষ্টের চেষ্টায় থাকা সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের জন্য এটি একটি বড় ধাক্কা। ইয়াসিরের স্থানীয় যোগাযোগ ও কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখতে বর্তমানে তদন্ত চলছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে বলা হয়েছে শুক্রবারও বাদগাম এলাকায় ‘অপারেশন আশদার’-এ এক সন্ত্রাসীকে খতম করা হয়েছে। চিনার কোরের একটি পোস্ট অনুযায়ী, তল্লাশি অভিযান চলাকালীন একটি এ কে রাইফেল এবং অন্যান্য যুদ্ধ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ শ্রীনগরের যৌথ উদ্যোগে বাদগামের আশদার গালি এলাকায় একটি যৌথ তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়। সতর্ক সেনারা সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করেন এবং তাদের চ্যালেঞ্জ জানালে সন্ত্রাসীরা গুলি চালাতে শুরু করে, যার ফলে উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র গুলি বিনিময় হয়। এতে এক জঙ্গি খতম হয় এবং একটি এ কে রাইফেল ও অন্যান্য যুদ্ধ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। তল্লাশি অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।
ইয়াসির আগে লস্কর-ই-তৈয়েবার ‘সুলাইমান মুসা’ গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিল। প্রায় এক বছর আগে সে ওই দল থেকে আলাদা হয়ে যায়। তারপর থেকে একা একাই নিজের কাজকর্ম চালাচ্ছিল। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বেশ কিছু দিন ধরে তার গতিবিধির ওপর নজর রাখছিল এবং ইউসমার্গ এলাকায় তার চলাফেরা নজরে আসছিল। মূল দল থেকে আলাদা হওয়ার পর ইয়াসির ওই এলাকায় লস্কর-ই-তৈয়েবার একজন প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছিল। ইউসমার্গের ওপরের পাহাড়ি এলাকায় তার উপস্থির কথা জানতে পেরে নিরাপত্তা বাহিনী তল্লাশি অভিযান শুরু করে। শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ার পরই গুলির লড়াই শুরু হয়ে যায় দুই পক্ষের মধ্যে। তাতেই নিহত হয় ইয়াসির।
(Feed Source: zeenews.com)
