
১ সেপ্টেম্বর United Airlines-এর পাইলট কেন্ট ক্যাটনিক বিমান নিয়ে আকাশে ওড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। United Airlines-এর ফ্লাইট ১০৮ নিয়ে রানওয়ে ছাড়ছিলেন তিনি। সেই সময়ই United Express-এর ফ্লাইট ৪৯৭৭ নিয়ে উড়ানের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁর মেয়ে কেনি ক্যাটনিক। সেই সময় একই রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিতে চলে আসেন দু’জনে। আর তাতেই কথাবার্তা এগোল অনেক দূর। (Viral News)
A pilot realizes his daughter, who is also a pilot, is on the same runway, leading to a really sweet exchange over the radio pic.twitter.com/1P85VOmCKF
— Dudes Posting Their W’s (@DudespostingWs) September 4, 2026
জানা গিয়েছে, আকাশে ওড়ার আগে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন কেন্ট। সেই সময় একই রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিতে মেয়ের গলা শুনতে পান তিনি। অন্য দিকে, মেয়েও বাবার গলা চিনতে পারেন। রেডিও সংযোগেই পরস্পরের খবর নেন তাঁরা। জীবনের খুঁটিনাটি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চান। এমনকি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারও সেই কথোপকথনে যোগ দেন। তাঁদের যে কথোপকথন সামনে এসেছে তা হল-
পাইলট মেয়ে: পপস (বাবা)?
পাইলট বাবা: কে?
পাইলট মেয়ে: তুমি তো? United 108?
পাইলট বাবা: হ্যাঁ, তুই কোথায়?
পাইলট মেয়ে: রানওয়ে 1R-তে, উড়ানের মুখে।
পাইলট বাবা: আরে, দ্যাখো কাণ্ড!
এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার: আপনার মেয়ে? নিশ্চয়ই গর্ব বোধ করছেন!
পাইলট বাবা: ওই আর কী?
এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার: মেয়ে বাড়িতেই থাকে?
পাইলট বাবা: না, অনেক আগেই বাড়ি ছেড়েছে। আমার ফোনের রিচার্জ প্ল্যানে এখনও রয়েছে যদিও।
এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার: বিয়ে না করা পর্যন্ত ছাড়বেন না। বিয়ের আগে পর্যন্ত মায়ের সঙ্গে রিচার্জ প্ল্যান ছিল আমার।
পাইলট মেয়ে: আমি সিঙ্গল।
বাবা ও মেয়ের ওই কথোপকথন ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। একজন লেখেন, ‘কেরিয়ায়ের যতই উন্নতির শিখরে পৌঁছও না কেন, পারিবারিক ডেটা প্ল্যানের লেকচার থেকে নিস্তার নেই’। আর এক জন লেখেন, ‘সবাই রিচার্জ প্ল্যান নিয়ে কথা বলছেন। আমি আবেগে ভাসছি যে বাবা ও মেয়ে দু’জনই পাইলট, তাও আমার প্রিয় বিমান সংস্থায়। কী সহজ ভঙ্গিতে রানওয়েতে পরস্পরকে পাশ কাটালেন’।
(Feed Source: abplive.com)
