)
Sikkim Landslide in River: নেপালের পরে এবার বিপর্যয় সিকিমে। সিকিমের মঙ্গন জেলায় নেমেছে ধস। এর জেরে আংশিক রুদ্ধ হয়েছে তিস্তা নদীর গতিপথ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৫ সেপ্টেম্বর এবং ৬ সেপ্টেম্বরের মাঝে রাতের দিকে সিকিমের মঙ্গন জেলার ছ্যাংকুং নদীর উপর এই ধসটি নেমেছে।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এবার সিকিম! সিকিমের মঙ্গন জেলায় নামল ধস। তিস্তা নদীর গতিপথ আংশিক রুদ্ধ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ৫ সেপ্টেম্বর এবং ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যবর্তী কোনও সময়ে সিকিমের মঙ্গন জেলার ছ্যাংকুং নদীর উপর এই ধস নেমে আসে। এই ঘটনার কথা জেলা পুলিস এবং চুংথাং মহকুমা পুলিসের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
নাগা-তোসা রোড
ঠেং টানেলের (Theng Tunnel) উল্টোদিকে, তিস্তা ও ছ্যাংকুং নদীর মিলনস্থলের কাছে নাগা ফরেস্ট এলাকায় নবনির্মিত নাগা-তোসা রোডের (Naga-Tosa Road) একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। এই ধসের কারণে দুটি নদীর জলপ্রবাহই আংশিক ভাবে আটকে যায়। যার ফলে তিস্তার জলপ্রবাহ সাময়িক ভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। এবং ওই এলাকায় জলপ্রবাহ ব্যাহত হওয়া নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়।
পরিস্থিতির উপর নজর
বর্তমানে তিস্তা নদীর জলপ্রবাহ স্বাভাবিক হলেও, তিস্তা ও ছ্যাংকুং– উভয় নদীতেই জল জমে রয়েছে। জল জমা হলেও দুটি নদীর মধ্য দিয়েই জলপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। চুংথাং চেকপোস্ট/পুলিস স্টেশনের স্টেশন হাউস অফিসার এবং ঠেং চেকপোস্টের পুলিস কর্মীরা ঘটনাস্থলের পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছেন।
জলস্তর কি বাড়ছে?
প্রশাসনিক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সংকলং (Sankalang) এবং ফিডাং (Phidang) পুলিস ফাঁড়ি এলাকায় নদীর জলের স্তর বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে, তবে নদীর জল বেশ ঘোলা হয়ে রয়েছে। সেই কারণে উভয় জায়গার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই জলস্তরের উপর কড়া নজর রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, জলস্তরে কোনো বড় পরিবর্তন দেখা দিলে তা অবিলম্বে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি এড়াতে নিম্নাঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলিতে আগাম সতর্কতা জারির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
মিরিকে
এদিকে, পাহাড় থেকে ধস নেমে মিরিকের রংভঙ নদীতে তৈরি হয়েছে এক বিশালাকার কৃত্রিম লেক। বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন। কারণ নতুন করে ধস নেমে যদি কোনও ভাবে লেকের পাড় ভেঙে যায়, তবে মিরিকের নীচের অঞ্চলে হড়পা বানের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
নেপালে
অন্তত ১৩০০ মৃত্যু। কতজন নিখোঁজ কেউ জানে না! দিনদশেক আগে ভয়াবহতম ফ্ল্যাশফ্লাডে দানবের কেশরের মতো ফুলে উঠেছিল চিন-নেপাল সীমান্তবর্তী পাহাড়ি নদী! সেই স্রোত পাহাড় থেকে পাগলা দৈত্যের মতো নেমে এসে গিলে খেয়েছিল বিস্তীর্ণ এলাকা। প্রাথমিক ভাবেই মানুষ বুঝতে পেরেছিল অন্তত ১০০০ জনই ভেসে গিয়েছিলেন কয়েকে সেকেন্ডের মধ্যে। তবে, পরে ক্রমে জানা যায়, প্রকৃত সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি। নেপালের এই আকস্মিক বন্যায় উথলে উঠেছিল ভোটেকোশী নদী। এর স্রোতে লণ্ডভণ্ড হয়েছিল রসুয়া। তিব্বতের কাছে অবস্থিত নেপালের এই রসুয়া জেলা। সেখানে আকস্মিক এই বন্যায় ভেসে গিয়েছিল আস্ত ব্রিজ, একাধিক গাড়ি, বাড়ি, পণ্য। নেপালের তিমুরে ও স্যাফ্রুবেসিতে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ছিল সবচেয়ে বেশি।
(Feed Source: zeenews.com)
