)
Municipality Election: ওই আসনে মধ্যে নির্দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে ১৭ আসনে। কংগ্রেস জিতেছে ১৬ আসন। পাশাপাশি আঞ্চলিক কোনও পার্টি ওই তালিকায় নেই
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভোটের আগেই বিরাট জয়। পুরসভা ভোটের আগেই মোট ৭৭ আসনে জয় তুলে নিল প্রার্থীরা। ওইসব আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজেপি জয়ী বয়েছে ৪৪ আসনে। এর পরেই রয়েছে নির্দল ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস।
ওই আসনে মধ্যে নির্দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে ১৭ আসনে। কংগ্রেস জিতেছে ১৬ আসন। পাশাপাশি আঞ্চলিক কোনও পার্টি ওই তালিকায় নেই।
রাজস্থানে পুরভোট হচ্ছে ৯ ও ১১ সেপ্টেম্বর। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে বহু প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হলেও রাজধানী জয়পুর পৌর কর্পোরেশনের ১৫০টি ওয়ার্ডের একটিতেও কেউ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেননি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী আসনগুলোর মধ্যে বিজেপি পেয়েছে প্রায় ৫৬.৪ শতাংশ, কংগ্রেস ২০.৫ শতাংশ এবং নির্দল প্রার্থীরা পেয়েছেন ২৩.১ শতাংশ আসন। সবচেয়ে বেশি ডিগ জেলায় ১০টি ওয়ার্ডে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যান্য জেলার মধ্যে চিত্তোরগড়ের ৬টি ওয়ার্ড, সিকার জেলার ৫টি ওয়ার্ড ও আলোয়ার, ঝুনঝুনু, যোধপুর এবং খেরথাল-তিজারা জেলায় প্রতিটিতে ৪টি করে ওয়ার্ডে।
বিজেপি নেতা ও প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা রাজেন্দ্র রাঠোর বলেন, ভজনলাল শর্মা সরকার মাত্র ৪০ দিনের মধ্যে পৌর ও পঞ্চায়েত নির্বাচন সম্পন্ন করছে। অথচ আগের কংগ্রেস সরকারের আমলে এই নির্বাচনী আচরণবিধির জন্য প্রায় ২৮০ দিন নষ্ট হয়েছিল। নির্বাচন দ্রুত শেষ হলে বারবার আচরণবিধির কারণে উন্নয়নমূলক কাজ আটকে থাকবে না।
রাজ্যজুড়ে ৩০৯টি পৌর সংস্থায় একসঙ্গে ভোট হচ্ছে। এই নির্বাচনের জন্য ১৯ আগস্ট থেকে আচরণবিধি কার্যকর হয়েছে এবং তা ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকবে। নভেম্বরের মধ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনও শেষ হয়ে যাবে। সব মিলিয়ে আচরণবিধির মোট সময়সীমা থাকবে মাত্র ৪০ দিনের মতো। রাঠোর অভিযোগ করেন, ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে কংগ্রেসের আমলে ১৩টি ধাপে ভোট নেওয়া হয়েছিল, যার ফলে ১৮ মাসের মধ্যে প্রায় ২৮০ দিন আচরণবিধি জারি রাখতে হয়েছিল।
(Feed Source: zeenews.com)
