
তবে ই-মেলটি সরাসরি বঙ্গ ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সিএবি-কে পাঠানো হয়নি। সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে নয়, ই-মেলটি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দফতরের সচিবকে। ই-মেলটির প্রেরক রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রকের সচিব ডক্টর সৌমিত্র মোহন। সেই চিঠিতে যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সিএবি-র সঙ্গে কথা বলে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত মাঠ নেওয়ার জন্য (যে চিঠির প্রতিলিপি আছে এবিপি লাইভ বাংলার হাতে)।
কেন এত লম্বা সময়ের জন্য মাঠ নেওয়া হচ্ছে? সিএবি ও রাজ্যের প্রশাসনিক মহলে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, ১০ অক্টোবরের অনুষ্ঠানটি বেশ হাই প্রোফাইল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ রাজ্যের সমস্ত প্রশাসনিক মাথারা তো থাকবেনই, সেই অনুষ্ঠানে থাকার কথা স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। আর প্রধানমন্ত্রী থাকা মানে নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি কড়াকড়ি থাকবে। ইডেন গার্ডেন্সকে আগাম নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হবে। সেই সঙ্গে অনুষ্ঠানের জন্য মঞ্চ নির্মাণ, গোটা স্টেডিয়ামকে সাজিয়ে তোলা, সব মিলিয়ে বিশাল এক কর্মযজ্ঞ চলবে। যে কারণে ২১ দিনের জন্য মাঠ চাওয়া হয়েছে।
১০ অক্টোবর অনুষ্ঠান। তারও পাঁচদিন পর পর্যন্ত ইডেন সিএবির হাতে থাকবে না। শোনা গেল, অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেলেও মাঠকে পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে, সমস্ত সাজসজ্জা, অনুষ্ঠানের সরঞ্জাম ইত্যাদি খুলতে বা সরাতে দিন পাঁচেক সময় লাগবে। সেই ভেবেই এতদিনের জন্য মাঠ নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, ১১ অক্টোবর, রবিবার থেকে ইডেনেই রঞ্জি ট্রফির প্রথম ম্যাচে বাংলা ও দিল্লি মুখোমুখি। সূচি প্রকাশ করে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তবে ১০ অক্টোবর ইডেনে অনুষ্ঠান হলে ১১ তারিখ ম্যাচ আয়োজন কার্যত অসম্ভব। তাই কল্যাণীতে হতে চলেছে বাংলা বনাম দিল্লি ম্যাচ। সিএবি সচিব বাবলু কোলে এবিপি লাইভ বাংলাকে বললেন, ‘আমরা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে জানিয়ে রেখেছি। কল্যাণীর মাঠও রঞ্জি ম্যাচের জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। ম্যাচের ভেন্যু বদলে যাওয়ারই কথা।’
(Feed Source: abplive.com)
