
জলে একটি প্লাস্টিক রঙের ড্রাম ভাসার বিষয়টি প্রথম দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার স্লুইস গেটের কাছে ড্রামটি ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন তাঁরা। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রের এমনই খবর। সেই খবর অনুযায়ী, পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় মৃতদেহের পরনের ট্রাউজারের পকেট থেকে ‘ময়মনসিংহ হিন্দু কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড’-এর ইস্যু করা একটি টোকেন উদ্ধার করেছে।
পুলিশ ওই টোকেন ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং সংস্থার সদস্যরা নিহতের পরিচয় শনাক্ত করতে সহায়তা করেন। পরবর্তীকালে নিরঞ্জনের স্ত্রী সুমিতা রানি সূত্রধর ও ছেলে জয় সূত্রধর মৃতদেহটি শনাক্ত করেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর রুহুল আমিন সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের মাধ্যমে নিরঞ্জনের পরিচয় শনাক্ত করতে ওই টোকেনটি ব্যবহার করা হয়েছিল।
এরপর পরিচয় নিশ্চিত করতে পুলিশ তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পুলিশ এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি যে কে নিরঞ্জনকে হত্যা করেছে এবং এই হত্যার কারণ কী। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।
গত জানুয়ারি মাসে একটি নারকীয় ঘটনা ঘটেছিল বাংলাদেশে। এক হিন্দু যুবককে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার খবর পাওয়া যায়। মৃত যুবক পেশায় একজন গ্যারেজ কর্মী ছিলেন। ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ ওঠে। পরিবার অভিযোগ করে, গোটা ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত। শোনা যায় , ২৩ বছর বয়সের ওই যুবক ঘুমোচ্ছিলেন। সেই সময় কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি গ্যারেজে আগুন ধরিয়ে দেয়। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে নরসিংদি- তে ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা। সূত্রের খবর, মৃতের নাম চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিক। কুমিল্লা জেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি। জানা যায়, নরসিংদি পুলিশ লাইনের কাছে হানাবাড়ি মসজিদ বাজার এলাকায় একটি গ্যারেজে কাজ করতেন এই যুবক। মৃতের বাবার নাম খোকন চন্দ্র ভৌমিক।
(Feed Source: abplive.com)
