
তাঁর মতে, রাষ্ট্র দুর্বল হয়ে পড়লে ধর্ম বিপন্ন হবে, আবার ধর্মাচরণের চর্চা দুর্বল হয়ে পড়লে রাষ্ট্রও অধঃপতনের দিকে যাবে। তাই আমাদের কর্তব্য হল, উভয়কেই সঠিক পথে একই সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
তিনি বলেন, “বিশ্ব আজ সমস্যায় জর্জরিত। প্রতিটি সুখই অসম্পূর্ণ থেকে যাচ্ছে, প্রতিটি আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে কোনও না কোনও ক্ষতি জড়িয়ে রয়েছে এবং প্রতিটি আনুগত্যের সঙ্গে অন্য কোনও আনুগত্যও যুক্ত। কোনও ভারসাম্য নেই; রয়েছে চরমপন্থা।”
ভাগবত বলেন, এই সমস্ত দ্বন্দ্ব থেকে বেরিয়ে আসার পথের সন্ধানে বিশ্ব ভারতের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ইতিহাসে ভারত কখনও অন্য দেশ দখল করার বা মানুষকে ধর্মান্তরিত করার উদ্দেশ্যে নিজের জ্ঞান বিশ্বের সঙ্গে ভাগ করেনি। তিনি বলেন, “বিশ্ব জানে, এই পথ ভারতের কাছ থেকেই আসবে।”
ভাগবত আরও বলেন, ভারতের রয়েছে এক বিশাল জ্ঞান-ঐতিহ্য, যার মধ্যে রয়েছে বেদ, উপনিষদ, রামায়ণ, মহাভারত, গীতা, জৈন আগম, ত্রিপিটক, গুরু গ্রন্থ সাহিব এবং বিভিন্ন সাধু-সন্তের শিক্ষা।
তিনি বলেন, “আমাদের দেশের কাছে জ্ঞানের এক বিশাল ভাণ্ডার রয়েছে, যা আজ বিশ্বের প্রয়োজন। ভক্তির শক্তির মাধ্যমে পরমাত্মার আরও কাছাকাছি পৌঁছনো সম্ভব।”
(Feed Source: news18.com)
