
এ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “দেখুন আমি একটা কথাই বলব শ্রেণী শত্রু বলে কিছু নেই। এই কনসেপ্ট থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যারাই আছে তাঁরা সবাই ভারতীয় নাগরিক। রাজনৈতিকভাবে কাউকে শত্রু দেখে দেওয়া, তাঁদের প্রতি আক্রমণাত্মক মনোভাব, এটা গণতন্ত্রের পক্ষে সুবিধাজনক নয়।”
সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, “এদের কাছ থেকে এর থেকে বেশি কিছু আশা করা যায় না। এরা ভারতবর্ষে বিশ্বাস করে না। এরা বাড়িতেও ঠিকঠাক শিক্ষা-দীক্ষা পায়নি।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের কাউন্টার করার প্রয়োজন নেই, মানুষ কাউন্টার করবেন। মানুষ বুঝতে পেরেছেন কীভাবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের রোল ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ওই পারে তো বাংলা ভাষা ছিল, এপারেও বাংলা ভাষা। তাহলে পশ্চিমবঙ্গ কেন তৈরি হয়েছিল। স্কুলে পড়ার সময় কাউকে জানতে দেওয়া হয়নি। এখন জানতে দেওয়া হবে।”
এরপর রাজনৈতিক প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “যাদের কাজ থাকে না তারা কটা দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও একই অবস্থা হয়েছে।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এখন উপায় নেই, নিজে নাচতে পারছে না, অন্যরা যারা নাচছেন তাদের নাচে হাততালি দিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এখন এই সিজেপি কংগ্রেস জেতাও পার্টি। এরা চেষ্টা করছে কংগ্রেসকে ব্যাকডোর দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়ে দেওয়ার জন্য।”
বয়স্ক প্রধানমন্ত্রীকে ‘আপনি চা বিক্রি করেছিলেন কেন’ বলা নিয়েও মন্তব্য করেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁর কথায়, “যারা বয়স্ক প্রধানমন্ত্রীকে বলেন আপনি চা বিক্রি করেছিলেন কেন, তারা বেসিক ভদ্রতা জানেন না।” তবে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক আন্দোলন থাকতেই পারে, বিরোধিতা থাকতেই পারে।”
(Feed Source: news18.com)
