)
Mohun Bagan: নির্ধারিত ৯০ মিনিটে খেলা গোলশূন্য। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও গোলে মুখ খুলতে পারল মোহনবাগান। গোল করতে ব্যর্থ পঞ্জাব।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: টাইব্রেকার জোড়া পেনাল্টি সেভ। সবুজ-মেরুন ‘জার্সি’তে ফের নায়ক সেই বিশাল কাইথ। পঞ্জাব এফসিতে হারিয়ে আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে মোহনবাগান।
খন মোহনবাগানের কোচ, একসময়ে তিনিই ছিলেন পঞ্জাবের কোচ। পুরনো দলের বিরুদ্ধে আলবের্তো, দ্রাজিচ, সমির জেলকোভিচ ও লি ইরউইনকে নামিয়ে দিয়েছিলেন পানাজিয়োটিস দিমপেরিস। কিন্ত তাতেও লাভ কিছু হয়নি। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে খেলা গোলশূন্য। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও গোলে মুখ খুলতে পারল মোহনবাগান। গোল করতে ব্যর্থ পঞ্জাব। শেষে ম্য়াচ গড়াল টাইব্রেকারে। পঞ্জাবের দুটি শট আটকে মোহনবাগানকে কার্যত একার হাতেই ফাইনালে তুলে দিলেন বিশাল কাইথ। উল্টোদিকে ৪ শটেই গোল করলেন মোহনবাগানের ফুটবলাররা।
এর আগে, ম্যাচে ৩৭ মিনিটে মোহনবাগানের পথ রোধ করেন বিশাল। আলবের্তোর পায়ে লেগে বল দিক পরিবর্তন করেছিল। গোলকিপার সজাগ না থাকলে গোল হতে পারত। সুযোগ এসেছিল মোহনবাগানের কাছেও। জেলকোভিচের ক্রসে ছাংতের শট কোনওমচে বাঁচান পঞ্জাবের গোলকিপার।
দ্বিতীয়ার্ধে কোলাসোর বদলে নামেন মিগুয়েল। গোলকিপার বদল করে পঞ্জাবও। অর্শদীপকে বদলে মুহিত। খেলায় কোনও হেরফের হয়নি। একই ফুটবল অব্যাহত থাকে দ্বিতীয়ার্ধেও। গোল লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কয়েকটা শট ছাড়া কিছুই বলার নেই। এরইমধ্যে নির্ধারিত সময়ে শেষ লগ্নে ৮৫ মিনিটে মিগুলেয়ের ফ্রিকিক থেকে গোল করে ফেলেছিলেন শুভাশিষ বোস। কিন্তু অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
(Feed Source: zeenews.com)
