IIT Kharagpur: ঘূর্ণিঝড়ের নিঃশব্দ তাণ্ডব! শুধু বাঁধ ভাঙা নয়, মাটির গভীরেও কীভাবে ডেকে আনছে বিপর্যয়? আইআইটি খড়গপুরের গবেষণায় চাঞ্চল্য

IIT Kharagpur: ঘূর্ণিঝড়ের নিঃশব্দ তাণ্ডব! শুধু বাঁধ ভাঙা নয়, মাটির গভীরেও কীভাবে ডেকে আনছে বিপর্যয়? আইআইটি খড়গপুরের গবেষণায় চাঞ্চল্য

IIT Kharagpur: ঘূর্ণিঝড়ে শুধু ঘরবাড়ি বা নদীবাঁধ নয়, ধ্বংস হচ্ছে মাটির অতল গভীরে থাকা মিষ্টি জলের স্তরেও! আইআইটি খড়গপুরের গবেষকদের চাঞ্চল্যকর রিপোটে প্রকাশ, আমফানের মতো ঝড়ে মাটির ১০০ মিটারেরও গভীরে ঢুকে পড়ছে সমুদ্রের নোনা জল।

আইআইটি খড়গপুরের গবেষকদের সুন্দরবন অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ জলস্তর ও পিজোমিটার মাধ্যমে নোনা জলের অনুপ্রবেশ পরীক্ষার কাজ (ছবিঃ এআই)

খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দ: উপকূলের বুকে আছড়ে পড়া তীব্র ঘূর্ণিঝড় যে কেবল মাটির উপরে ঘরবাড়ি ও নদীবাঁধের ধ্বংসলীলা চালায় তা নয়, মাটির অতল গভীরেও নিঃশব্দে ডেকে আনে মারাত্মক বিপর্যয়। আন্তর্জাতিক গবেষণা পত্রিকা ‘সায়েন্টিফিক রিপোর্টস’-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন আইআইটি খড়গপুরের বিজ্ঞানীরা। তাঁদের গবেষণা অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী আমফানের মতো ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় মাটির ১০০ মিটারেরও বেশি গভীরে থাকা মিষ্টি জলের স্তরেও সমুদ্রের নোনা জলের অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে। সুন্দরবনের মতো গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা বদ্বীপের জলবায়ু-সংবেদনশীল অঞ্চলে এই ঘটনা সাধারণ মানুষের পানীয় জলের নিরাপত্তাকে চূড়ান্ত ঝুঁকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। আইআইটি খড়গপুরের ভূতত্ত্ব ও ভূপদার্থবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক আদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায় ও গবেষক প্রকৃতি মজুমদার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের এসআরএম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. কৌশিক দাসের যৌথ উদ্যোগে এই গবেষণাটি সম্পন্ন হয়েছে।