Electric Bill Saving Tips: বিদ্যুতের বিল কমবে ২০% পর্যন্ত! ফ্রিজ-ইনভার্টারে শুধু করুন এই ছোট্ট কাজটি

Electric Bill Saving Tips: বিদ্যুতের বিল কমবে ২০% পর্যন্ত! ফ্রিজ-ইনভার্টারে শুধু করুন এই ছোট্ট কাজটি

How To Reduce Electricity Bill: প্রতি মাসে আসা মোটা অঙ্কের বিদ্যুতের বিল নিয়ে কি আপনি সমস্যায় পড়ছেন? তাহলে ফ্রিজ এবং ইনভার্টারের কয়েকটি বিশেষ সেটিংস বদলে বিদ্যুতের বিল কমানো যেতে পারে। কী কী সহজ উপায় রয়েছে, জেনে নিন

গরম হোক বা শীত, যে কোনও মরসুমেই বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বাড়ির কিছু নির্দিষ্ট যন্ত্র এমন রয়েছে, যেগুলির কারণে বিদ্যুতের খরচ অনেকটাই বেশি হয়। ফলে বাড়ে বিদ্যুতের বিলও। গরমের দিনে যখন AC, ফ্রিজ এবং ইনভার্টার দিন-রাত চলতে থাকে, তখন মিটারও বেশ দ্রুত ঘুরতে থাকে। অনেকেই মনে করেন, বিদ্যুতের খরচ কমাতে হলে হয় দামি ইলেকট্রনিক যন্ত্র বদলাতে হবে, নয়তো নিজের আরামের সঙ্গে আপস করতে হবে।

কিন্তু এমনটা করার প্রয়োজন নেই। বাড়ির কয়েকটি প্রয়োজনীয় যন্ত্রের সঠিক সেটিং বদলেই বিদ্যুতের বিল সরাসরি ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। এমন কিছু সহজ এবং কার্যকর উপায় রয়েছে, যেগুলি বাড়ির ফ্রিজ ও ইনভার্টারে প্রয়োগ করলে মাসের বিদ্যুতের বিল থেকে অনেকটাই স্বস্তি পেতে পারেন।

ফ্রিজের তাপমাত্রা ও কুলিং কন্ট্রোল গুরুত্বপূর্ণ: বাড়িতে থাকা ফ্রিজ ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা এমন একটি যন্ত্র, যা তুলনামূলকভাবে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। বেশিরভাগ মানুষ হয় ফ্রিজের কুলিং সবসময় সর্বোচ্চ স্তরে রাখেন, অথবা মরসুম বদলে গেলেও ফ্রিজের তাপমাত্রা পরিবর্তন করতে ভুলে যান। গরমের সময়ে ফ্রিজের তাপমাত্রা মাঝারি অর্থাৎ ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা উপযুক্ত। শীতকালে এটি কিছুটা কমানো যেতে পারে।

এছাড়া অনেকেই ফ্রিজ দেওয়ালের একেবারে গায়ে লাগিয়ে রাখেন। এর ফলে পিছনে থাকা কয়েলে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে না। এতে কম্প্রেসরের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং বিদ্যুতের বিল দ্রুত বাড়তে পারে। ফ্রিজের দরজা বারবার খোলা এবং ভিতরে গরম খাবার রেখে দেওয়ার কারণেও কম্প্রেসরকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। তাই ফ্রিজ সবসময় দেওয়াল থেকে কিছুটা দূরে, বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় রাখুন। প্রয়োজন ছাড়া ফ্রিজের দরজা খুলবেন না এবং থার্মোস্টেটের সঠিক সেটিংয়ের দিকেও বিশেষ নজর রাখুন।

ইনভার্টারের ব্যাটারি ও লোড ম্যানেজমেন্টে বাঁচবে বিদ্যুৎ: বাড়ির ইনভার্টার এবং তার ব্যাটারিও বিদ্যুতের বিল বাড়ানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। ইনভার্টারের ব্যাটারি পুরনো হয়ে গেলে এবং তাতে ইলেক্ট্রোলাইটের মাত্রা কমে গেলে সেটি চার্জ হতে অনেক বেশি সময় নেয়। দীর্ঘ সময় ধরে চার্জ হওয়ার অর্থ হল মিটারও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ খরচ করছে, ফলে বিদ্যুতের অপচয় বাড়ে। এছাড়া অনেকেই বাড়ির মেইন ওয়্যারিং এবং ইনভার্টার ইনস্টল করার সময় লোডের সঠিক হিসাব করেন না।

এর ফলে পাওয়ার লিকেজ এবং ব্যাটারি ওভারচার্জিংয়ের মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই সময় সময় ব্যাটারির জলের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত এবং নিশ্চিত করতে হবে যে চার্জিং সম্পূর্ণ হওয়ার পর ইনভার্টার অটো-কাট মোডে চলে যাচ্ছে। ইনভার্টারের সঙ্গে যুক্ত এমন যন্ত্রগুলি বন্ধ রাখুন, যেগুলি সেই সময়ে প্রয়োজন নেই। কারণ ছোট কোনও লোডও সারা মাসে বিদ্যুতের ইউনিট বাড়িয়ে দিতে পারে।

এই বিষয়গুলিও মাথায় রাখুন: ফ্রিজ এবং ইনভার্টারের সঠিক সেটিংয়ের পাশাপাশি দৈনন্দিন কিছু ছোট অভ্যাসও বিদ্যুতের বিল কমাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। অনেক সময় বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ঘরের পাখা, কুলার বা টিভির সুইচ অন রেখে দেওয়া হয়। আবার ফোন ও ল্যাপটপ পুরোপুরি চার্জ হয়ে যাওয়ার পরেও চার্জার বোর্ডে প্লাগ ইন করা থাকে। একে ‘ফ্যান্টম লোড’ বলা হয়।

এছাড়া বাড়ির পুরনো এবং প্রচলিত বাল্বের পরিবর্তে LED লাইট ব্যবহার করা শুরু করুন। কারণ এগুলি কম বিদ্যুৎ খরচ করে বেশি আলো দিতে পারে। এই ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে যদি দৈনন্দিন অভ্যাসের অংশ করে নিতে পারেন, তাহলে পরের মাসেই বিদ্যুতের বিল ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসতে পারে।

(Feed Source: news18.com)