জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লিতে রাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত। বিক্ষোভের মধ্যে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে আটক করা হয়েছে। ঘটনায় নতুন করে সরগরম জাতীয় রাজনীতি।
আটক করা হল রাহুল-প্রিয়ঙ্কাকে
নয়াদিল্লি: ‘ভোট চুরির’ প্রতিবাদে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি ঘিরে আজও উত্তাল দিল্লি। ইন্ডিয়া ব্লকের পক্ষ থেকে বুধবারেও যন্তর-মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি হয়ে ওঠে। ইতিমধ্যেই, কংগ্রেস নেতা, সাংসদ তথা বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে গান্ধীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ, রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী দু’জনকে আটক করে দু’জায়গায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বাসে করে বিরোধী সাংসদরা এইদিন অশোক রোড ধরে প্রতিবাদ স্থল যন্তর-মন্তরের দিকে আসছিলেন। সেই সময়েই তাঁদের পথ আটকায় নিরাপত্তাকর্মীরা। এরপরেই বেশকিছু বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়।
ইন্ডিয়া ব্লকের সাংসদরা মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চেয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনেও উত্তাল দিল্লির রাজপথ। আকাশবাণী ভবনের সামনে কয়েক ঘণ্টা ধরে ধর্নার পরে গতকাল তাঁকে আটক করা হয়েছিল। আজকে আবারও তাঁকে আটক করা হয়।
বিরোধী সাংসদরা পৌছনোর আগেই যন্তর মন্তরে ১৬৩ ধারা জারি করেছে দিল্লি পুলিশ। ফলে সেখানে আইনত ভাবে কোনও জমায়েত নিষিদ্ধ। দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার সচিন শর্মা ইএ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, যন্তর মন্তরে ১৬৩ ধারা জারি থাকায় ওই এলাকায় আগাম অনুমতি ছাড়া জমায়েত করতে পারবেন না।
কিন্তু, বুধবার যন্তর-মন্তর অভিযানের আগে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে আমন্ত্রণে একটি রেস্তোরাঁয় যান বিরোধী সাংসদেরা। সেখান থেকেই বাসে চেপে যন্তর-মন্তরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন রাহুলেরা। আর এরপরেই আটক করা হয় রাহুল-প্রিয়ঙ্কাদের।
(Feed Source: news18.com)