Offbeat Hill Station:পাইনবনে খেলা করে মেঘ-কুয়াশার লুকোচুরি…পাকদণ্ডী বেয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপে মুগ্ধ হতে আসুন দার্জিলিঙের কাছেই এই পাহাড়িয়া গ্রামে

Offbeat Hill Station:পাইনবনে খেলা করে মেঘ-কুয়াশার লুকোচুরি…পাকদণ্ডী বেয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপে মুগ্ধ হতে আসুন দার্জিলিঙের কাছেই এই পাহাড়িয়া গ্রামে

Offbeat Hill Station: চোখ মেললেই কা‍ঞ্চনজঙ্ঘা। পা বাড়ালেই পাকদণ্ডী। মেঘ কুয়াশায় হারিয়ে যেতে আসুন এই পাহাড়ি গ্রামে। নতুন করে প্রেমে পড়বেন নিজের সঙ্গেই।

হাতে গোনা ক’দিন বাদেই দুর্গাপুজো। পুজোর আনন্দ শুধু সমতলে আবদ্ধ নয়, মা উমাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত পাহাড়ও। উঁচু উঁচু পাহাড়ের বুক জুড়ে সাজানো হরেক রকমের নকশার বাড়ি। সেই বাড়িগুলির মাঝখান দিয়ে কখনও মেঘ, কখনও কুয়াশা নেমে আসছে। জানলা খুললেই যেন হাতছানি দিচ্ছে মেঘ-কুয়াশা।

চারপাশে বিভিন্ন ধরনের পাহাড়ি বা বুনো ফুলের গন্ধ, পাইনবনের সবুজ আর দূরে কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ সৌন্দর্য এমনটাই পাহাড়ের চেনা সৌন্দর্য। কিন্তু শরৎকালে কালিম্পিংয়ের লাভার সৌন্দর্য যেন আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

পুজোর এই মরশুমে পর্যটকদের ভিড়ে জমজমাট হয়ে ওঠার অপেক্ষায় কালিম্পং জেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র লাভা। ইতিমধ্যেই পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে হোটেল ব্যবসায়ীরা। রাস্তার দু’ধারে রঙিন কাগজের পতাকা দিয়ে সাজানো হচ্ছে এলাকা।

হোটেল ব্যবসায়ীদের চোখ এখন পর্যটকদের আগমনের দিকে। এখনকার বাসিন্দাদের বেশিরভাগেরই অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতা শুধু পর্যটন ব্যবসার ওপরেই টিকে রয়েছে তাই এই পুজোর মরশুম পাহাড়বাসীদের জন্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

লাভায় ছোট পরিসরে ধুমধাম করে উমার আরাধনা হয়, এমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাই পুজোর সময় পাহাড়ি প্রকৃতির সৌন্দর্যের পাশাপাশি পর্যটকেরা এখানকার পুজোর আমেজও উপভোগ করতে পারবেন।

লাভার পাইন ফরেস্ট পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। বর্তমানে পর্যটন মরশুমে পাইন ফরেস্টে প্রবেশের জন্য বন দফতরকে মাত্র ২০ টাকা প্রবেশমূল্য দিতে হয়। পাশাপাশি জঙ্গলের ভিতরে প্লাস্টিকজাতীয় কোনও দ্রব্য নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় বনকর্মীরাও নজরদারি চালাচ্ছেন।

অন্যদিকে লাভা গেটের সামনে সেলফি তোলার জন্য পর্যটকদের ভিড় এখনও তুলনামূলক কম। তবে পুজোর ছুটিতে সেই ভিড় কয়েকগুণ বাড়বে বলেই আশাবাদী স্থানীয়রা। লাভা থেকে কিছুটা এগোলেই রাস্তার দু’ধারে দেখা মেলে পাহাড় থেকে নেমে আসা প্রাকৃতিক ঝরনার। এখন শুধু অপেক্ষা পর্যটকদের আনাগোনায় আবার মুখরিত হবে পাহাড়ি এই জনপদ।

(Feed Source: news18.com)