
এই অংশটিকে বলা হয় শার্ক-ফিন অ্যান্টেনা (Shark-Fin Antenna)। আধুনিক গাড়িতে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একসময় গাড়ির সামনের অংশে বা ফেন্ডারে লম্বা ধাতব অ্যান্টেনা দেখা যেত। কিন্তু এখন সেই জায়গা নিয়েছে ছাদের উপর বসানো ছোট্ট শার্ক-ফিন।
GPS/GNSS: গাড়ির অবস্থান নির্ধারণ এবং নেভিগেশন ব্যবস্থাকে সাহায্য করে।
মোবাইল নেটওয়ার্ক: কানেক্টেড-কার পরিষেবা, টেলিম্যাটিক্স, জরুরি যোগাযোগ এবং তথ্য আদান-প্রদানে কাজে লাগে।
স্যাটেলাইট রেডিও: যে গাড়িতে এই সুবিধা রয়েছে, সেখানে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে রেডিও সিগন্যাল গ্রহণ করতে সাহায্য করে।
AM/FM রেডিও : কিছু গাড়িতে সাধারণ রেডিওর অ্যান্টেনাও এই অংশের মধ্যে থাকে। তবে সব গাড়িতে এমনটা হয় না।
Wi-Fi ও অন্যান্য ওয়্যারলেস ব্যবস্থা : নির্দিষ্ট কিছু মডেলে অতিরিক্ত যোগাযোগ প্রযুক্তির অ্যান্টেনাও এই অংশে থাকতে পারে।
এর আরও একটি সুবিধা রয়েছে। পুরনো দিনের লম্বা অ্যান্টেনা গাড়ি ধোয়ার সময়, বিশেষ করে অটোমেটিক কার ওয়াশে, বেঁকে যেতে বা ভেঙে যেতে পারত। কিন্তু শার্ক-ফিন অ্যান্টেনা গাড়ির ছাদের সঙ্গে অনেকটা মিশে থাকে বলে এই ধরনের ক্ষতির ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম।
এটি বৃষ্টি, ধুলো, রাস্তার ছোটখাটো পাথর বা অন্যান্য বাইরের প্রভাব থেকেও ভিতরের যন্ত্রাংশকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, লম্বা অ্যান্টেনার তুলনায় বাতাসের সংস্পর্শে বেরিয়ে থাকা অংশ কম থাকে। তবে একটি বিষয় মনে রাখা দরকার, শার্ক-ফিনের মূল সুবিধা শুধু গাড়ির অ্যারোডাইনামিকস উন্নত করা নয়। একাধিক অ্যান্টেনাকে এক জায়গায় রাখা, সুরক্ষা এবং গাড়ির ডিজাইনের সঙ্গে মানিয়ে যাওয়াও এর গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য।
এই কারণেই গাড়ি নির্মাতারা এমন ব্যবস্থা বেছে নিয়েছেন, যেখানে ছোট জায়গার মধ্যে একাধিক অ্যান্টেনা রাখা যায়। তবে সব আধুনিক গাড়িতেই যে সমস্ত অ্যান্টেনা শার্ক-ফিনের ভিতরে থাকে, তা নয়। কিছু গাড়িতে কাচের মধ্যে অ্যান্টেনা বসানো হয়, আবার কিছু ক্ষেত্রে গাড়ির বিভিন্ন অংশে আলাদা অ্যান্টেনা থাকে।
(Feed Source: news18.com)
