
Indigo Flight : ইন্ডিগোর বিমানে বজ্রপাত। মাঝআকাশে এমন ঘটনা ঘটলে কি বিমানে থাকা যাত্রীরা নিরাপদে থাকেন, জেনে নিন।
বিমানে বজ্রপাত হলে কী হয়!
নয়াদিল্লি : আকাশে বড়সড় দুর্ঘটনা হতে হতে রক্ষা পেল পাটনা থেকে আহমেদাবাদগামী ইন্ডিগোর ফ্লাইট 6E925। প্রায় ১৭ হাজার ফিট উচ্চতায় থাকাকালীন বজ্রপাতের কবলে পড়ে। বজ্রপাতের ধাক্কায় বিমানের সামনের অংশের নোজ কন বা রেডোম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে পরিস্থিতি সামলে বিমানটি লখনউয়ের চৌধুরী চরণ সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করে। বিমানে থাকা ১১০ জন যাত্রীর প্রত্যেকেই নিরাপদ ছিলেন।
প্রশ্ন উঠছে, এত শক্তিশালী বজ্রপাতের পরও কীভাবে বিমানের ভিতরে থাকা যাত্রীরা সুরক্ষিত থাকলেন? বিমানে বজ্রপাত হলে কী হয়? বিমানে বজ্রপাতের ঘটনা বিরল নয়। বজ্রপাতের সময় বিপুল বৈদ্যুতিক চার্জ তৈরি হলেও আধুনিক বিমান এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে সেই বিদ্যুৎ মূলত বিমানের বাইরের কাঠামো দিয়েই প্রবাহিত হয়। এই ঘটনায় বিমানের সামনের রেডোম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। রেডোমের ভিতরে থাকা রাডারকে সুরক্ষিত রাখার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বজ্রপাত সাধারণত বিমানের নাক, ডানার ডগা বা অন্য কোনও উঁচু অংশে আঘাত করে এবং বাইরের কাঠামো ধরে প্রবাহিত হয়ে টেল বা অন্য প্রান্ত দিয়ে বেরিয়ে যায়। বজ্রপাতের সময় আশপাশের বাতাস অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত হতে পারে।
