প্রোটিনের পাওয়ার ব্যাঙ্ক এই ‘মাছ’…! ওমেগা-৩ ওমেগা-৬ ঠাসা, সপ্তাহে ১ দিন পাতে রাখলেই সামলায় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি, বাজারে দেখলেই থলেতে ঠাসুন! 

প্রোটিনের পাওয়ার ব্যাঙ্ক এই ‘মাছ’…! ওমেগা-৩ ওমেগা-৬ ঠাসা, সপ্তাহে ১ দিন পাতে রাখলেই সামলায় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি, বাজারে দেখলেই থলেতে ঠাসুন! 

Fish Tips: মহৌষধি এই ‘মাছ’! ক্যালসিয়াম, সেলেনিয়াম, জিঙ্কের আঁতুরঘর! পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এতে চর্বি কম থাকে। এই কারণেই যারা স্বাস্থ্যকর খাবার ডায়েটে যোগ করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি ভালো ‘বিকল্প’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

সকলেই জানেন যে মাছ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তবে, সব ধরনের মাছ মোটেই সমান পুষ্টিকর নয়। কিছু মাছ দামি হলেও তার তুলনায় বেশ কম দামে বাজারে পাওয়া যায় এমন মাছেও থাকে বেশি পুষ্টি।

বাজারে গেলে তাই ইলিশ, পাবদা, পারশে ছেড়ে এমন মাছের খোঁজ করুন যা দামে সস্তা আর কাজে সেরার সেরা। এমনই একটি মাছ হল তোতা মাছ বা প্যারট ফিশ। এটি শুধু সস্তাই নয়, এতে কাঁটাও খুব কম থাকে, তাই শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সবাই সহজেই এটি খেতে পারেন।

এই মাছটি প্রোটিন, ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬-এর মতো পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এতে চর্বি কম থাকে। এই কারণেই যারা স্বাস্থ্যকর খাবার ডায়েটে যোগ করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি ভালো ‘বিকল্প’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন পুষ্টিবিদ শ্রীলাথা আন্ডের মতে, এই মাছের উচ্চমানের প্রোটিন শরীরের পেশি গঠনে এবং ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু মেরামতে সাহায্য করে। শিশু, বয়স্ক এবং এমনকি আরোগ্য লাভকারী রোগীরাও চিকিৎসকের পরামর্শে এই মাছটি তাদের খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। যাঁরা ওজন কমাতে চান তাঁদের জন্যও এটি উপকারী, কারণ এতে ক্যালোরি ও চর্বি কম থাকে।
প্রোটিনযুক্ত মাছ: আজকের স্বাস্থ্যকর প্রোটিনের সোর্সের খোঁজে মানুষ মাটন ও চিকেনের চেয়ে মাছ খেতে বেশি পছন্দ করেন। সেই কারণেই এই বর্ষায় বাজারে নানা ধরনের মাছ উঠতেও দেখা যাচ্ছে। আজ এই প্রতিবেদনে চলুন জেনে নেওয়া যাক এমনই একটি পুষ্টিকর মাছের হদিস। এটি শুধু কম দামেই পাওয়া যায় না, এতে সেভাবে কোনও কাঁটাও নেই। শুধু তাই নয়, এই মাছটি স্বাদ ও পুষ্টির একটি চমৎকার এবং স্বাস্থ্যকর বিকল্প।
স্বাদ এবং ঔষধি গুণের জন্য পরিচিত এই মাছটি এককথায় আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানে ভরপুর। বাংলার বাজারে দামি মাছের পাশাপাশি খুঁজলেই পাওয়া যাবে এই মাছ। চলুন জেনে নেওয়া যাক, নিউজ 18 তামিলের প্রতিবেদন অনুসারে বিশেষ এই মাছটি কী এবং কী কী উপকারিতায় সমৃদ্ধ এই মাছের পুষ্টি সম্ভার।
আমরা এখানে যে মাছটির কথা বলছি, তা সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ। এটি প্রধানত প্রবাল প্রাচীরে পাওয়া শৈবাল খেয়ে জীবনধারণ করে। তাই একে ‘রক ফিশ’ বা ‘পাথুরে মাছ’ ও বলা হয়। বিভিন্ন ধরণের রক ফিশের মধ্যে, জনপ্রিয় ‘প্যারটফিশ’ বা তোতা মাছ খাওয়ার অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।
বিভিন্ন অঞ্চলে এরা নানা নামে পরিচিত। বাংলায় তোতা মাছ বা কালো টিয়া নাম জনপ্রিয় এই মাছ। এরা আকারে ছোট এবং এদের গায়ের আঁশগুলো খুব পরিপাটি, যাতে কমলা ও সোনালি রঙের আভা দেখা যায়। এই মাছগুলি ভেজে ছোট বাচ্চাদেরও খাওয়ানো যায়।
হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য: প্যারট ফিশে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমায় এবং হৃদযন্ত্রের ধমনীগুলোকে সুরক্ষিত রাখে। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের মতো হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।
উচ্চ মানের প্রোটিন: পেশীর বৃদ্ধি এবং টিস্যু মেরামতের জন্য উপকারী এই মাছটি বিশুদ্ধ প্রোটিনে সমৃদ্ধ যা সার্বিক শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। চোখ থেকে চুল, হাড় থেকে হার্ট, সবেরই যত্ন নেই এই মাছ। সপ্তাহে একদিন পাতে রাখলেই দুর্দান্ত ফল পাওয়া নিশ্চিত।
দৃষ্টিশক্তির জন্য সেরা: এই মাছে থাকা অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়। এগুলো বয়সজনিত দৃষ্টি সমস্যা প্রতিরোধেও সাহায্য করে। আর এই মাছ খেতেও চমৎকার।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: প্যারটফিশে থাকা সেলেনিয়াম এবং জিঙ্কের মতো খনিজ উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে এবং সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। ফলে, ডাক্তাররাও এটিকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী মাছ হিসেবে পরামর্শ দেন।
মস্তিষ্ক – স্নায়ুতন্ত্র: ওমেগা-৩ পুষ্টি উপাদান মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উদ্দীপিত করতে, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদরা বলেন যে প্যারটফিশ ওমেগা-৩ পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ।
হাড় ও দাঁতের গঠন: এতে থাকা ভিটামিন ডি শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে। ফলে, বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে হাড় ও দাঁত খুব মজবুত হয় এই মাছ নিয়মিত খেলে।
দাবিত্যাগ: এই তথ্যগুলি শুধুমাত্র সাধারণ জ্ঞানের উদ্দেশ্যেই দেওয়া হয়েছে। আপনার খাদ্যাভ্যাস বা দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কোনও পরিবর্তন আনার আগে অনুগ্রহ করে একজন যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এই তথ্যের জন্য নিউজ 18 দায়ী নয়।
(Feed Source: news18.com)