
Break Up Prediction: ব্রেক আপ একদিনে হয় না! অনেকদিন আগে থেকেই সম্পর্কের ভাঙন শুরু হয়। ধীরে ধীরে ফাটল বাড়তে ধাকে। একসময়ে তাসের ঘরে মতো ভেঙে পড়ে সম্পর্ক। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ব্রেক আপের আগে থেকে প্রেমিক-প্রেমিকা বা স্বামী স্ত্রী এই ৩ কাজ করা বন্ধ করে দেন
সম্পর্ক ভাঙার কষ্ট যে কতটা, সে তাঁরাই বোঝে, যাঁরা এই কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছেন। সবাই-ই চায় সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে, কিন্তু সবসময় ইচ্ছে থাকলেও পথ বেরোয় না। অনেকসময়, চেনা মানুষটা আচমকাই অচেনা হয়ে ওঠে। তাঁর মন আর বোঝা যায় না! উলটে পাল্টে যেতে থাকে সম্পর্কের প্রতিটা বোঝাপোড়া।
মানেহীন সম্পর্কের বোঝা বয়ে বেড়ানোর চেয়ে বিচ্ছেদই ভালো। তবে ব্রেক-আপ একদিনে হয় না! কোনও একটা দিন হয়তো আপনি আপনার সঙ্গীকে সোশ্যাল মিডিয়া, ফোনে ব্লক করে দিয়ে সম্পর্কে ইতি টানলেন, কিন্তু জানবেন, ‘ব্রেক আপ’-এর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল অনেক আগেই। ব্রেক আপের ঠিক আগে একজন প্রেমিক-প্রেমীকা বা স্বামী-স্ত্রী এই ৩ কাজ করেন। আপনার সম্পর্কেও এই সংকেত পাচ্ছেন না তো?
ছোটখাটো কথাবার্তা বন্ধ হয়ে যাওয়া–
সম্পর্ক মজবুত রাখতে সবসময় বড় কোনও ঘটনা বা বিশেষ কিছু করার প্রয়োজন হয় না। অনেক সময় ছোট ছোট বিষয়ই দু’জন মানুষকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে। সঙ্গীরা যখন নিজেদের প্রতিদিনের ছোটখাটো বিষয় একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া বন্ধ করে দেন, তখন ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি হতে শুরু করে।
টাকা-পয়সা, খাবার, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বা সংসারের দায়িত্ব নিয়ে হয়তো কথা চলতে থাকে, কিন্তু মনের কথা বলা বা হৃদয় থেকে কথা বলার অভ্যাস ধীরে ধীরে কমে যায়। এর ফলে দু’জনের মধ্যে মানসিক যোগাযোগ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সম্পর্কেও ভাঙন ধরতে শুরু করে।
ছোটখাটো ঝামেলা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা বন্ধ হয়ে যাওয়া
— সুস্থ সম্পর্ক মানে এমন নয় যে সেখানে কখনও ঝগড়া হবে না। বরং গুরুত্বপূর্ণ হল, ঝগড়ার পর দু’জন কীভাবে আবার স্বাভাবিক হয়ে উঠছেন। কিন্তু সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার আগে অনেক দম্পতি এই চেষ্টা করাটাই বন্ধ করে দেন।
আগে কোনও ঝগড়ার পর হয়তো একজন ক্ষমা চাইতেন, দু’জনে খোলাখুলি কথা বলতেন বা অভিমান ভাঙাতে একে অপরকে জড়িয়ে ধরতেন। কিন্তু সম্পর্ক দুর্বল হতে শুরু করলে সেই ঝগড়ার শেষ হয় অনেক সময় নীরবতায়। কেউ আর কথা বলে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করেন না।
একে অপরকে বোঝার চেষ্টা বন্ধ হয়ে যাওয়া
— সম্পর্কে ঝগড়া বা মতবিরোধ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু বিচ্ছেদের আগে পরিবর্তনটা অনেক সময় ঝগড়ার মধ্যে নয়, বরং একে অপরকে বোঝার চেষ্টার মধ্যেই দেখা যায়।
ধীরে ধীরে দম্পতিরা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করা বন্ধ করে দেন। একজনের দৃষ্টিভঙ্গি, অনুভূতি বা অভিজ্ঞতা বোঝার চেষ্টা যখন অন্যজন করেন না, তখন দু’জনের মধ্যে মানসিক দূরত্ব তৈরি হতে থাকে। সময়ের সঙ্গে এই দূরত্বই সম্পর্ককে দুর্বল করে দেয়।
(Feed Source: news18.com)
