আবার ৯০০০ পুলিশকর্মী নিয়োগের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, কলকাতা পুলিশের ৪০০০ পদের ফল ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশ এবং পিএসসির মাধ্যমে ৬৫০ জন ক্লার্ক নিয়োগের কথাও জানান তিনি।
রাজ্য পুলিশে আরও ৯ হাজার নিয়োগ
কলকাতাঃ আবার ৯০০০ পুলিশকর্মী নিয়োগের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে এই নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৬৫০ জন পুলিশের ক্লার্ক নিয়োগ করা হবে। কলকাতা পুলিশের ৩০০ জন সাব-ইনস্পেক্টর (এসআই) ইতিমধ্যেই নির্বাচিত হয়েছেন বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
সোমবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পুলিশকর্মীদের নিয়োগপত্র তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য পুলিশে ১১ হাজার ৭৪৯টি কনস্টেবল পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রকাশ করেছিল রাজ্য পুলিশ নিয়োগ পর্ষদ। দেবীপক্ষেই তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠানে কলকাতা পুলিশের আরও ৪০০০ নিয়োগের ফল ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। জানুয়ারিতে আবার দেখা হবে বলেও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।
পুলিশকর্মীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরপ্রদেশে প্রতি লক্ষ জনসংখ্যায় ২০০ জন পুলিশকর্মী রয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে সিভিক ভলান্টিয়ারদের দিয়ে থানা চালানো হত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সিভিক ভলান্টিয়ারদের প্রতি তাঁর কোনও ক্ষোভ নেই জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, তাঁদের ভাতা ২০০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। তবে প্রশিক্ষণ ও নিয়ম মেনে চলার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ৮০০ মিটার দৌড়তে না পারলেও অন্তত ১০০ মিটার দৌড়তে পারতেন।
বর্ষাকালে পুলিশকর্মীদের সুবিধার জন্য হিডকো এবং এনকেডিএ-কে ২০০০টি বর্ষাতি ও ছাতা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান শুভেন্দু। পুলিশকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘আমি আপনাদের সঠিক বেতন দেবো। ডিএ-র গ্যাপ কমিয়ে দেব।’’
পুলিশকর্মীদের প্রশিক্ষণের প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, অসমে লাচিত বরফুকনের নামে থাকা প্রতিষ্ঠান এবং গুজরাতের রাষ্ট্রীয় অ্যাকাডেমিতে পুলিশকর্মীদের প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে। দেশের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রাখার বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘দেশ সবার প্রথমে, ন্যাশন ফার্স্ট।’’
অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার পাশাপাশি পুলিশকর্মীদের অবৈধ কাজ থেকে দূরে থাকার নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে পুলিশকেও লড়তে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘একা আর্মি বিএসএফ লড়বে না। আপনাদেরও লড়তে হবে প্রয়োজন হলে।’’
(Feed Source: news18.com)