
🚨 PUBLIC NOTICE It has come to our attention that certain individuals are seeking money in CJP’s name, claiming to provide legal assistance to detainees. We wish to clarify that these individuals are not affiliated with CJP. We urge everyone not to make any payments to them. Please verify any such claims through CJP’s official channels.
— Cockroach Janta Party – CJP (@Cockroachisback) October 12, 2026
জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ দেখাতে যাওয়া তো দূরের কথা, শনিবার, দিল্লির মাটি ছোঁয়ারই সুযোগ পাননি। দিল্লিতে নামার পর, বিমানের ভিতর থেকেই ককরোচ জনতা পার্টির তিন শীর্ষ নেতা, অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। এর ২৪ ঘণ্টা পর, শর্তস্বাপেক্ষে মুক্ত হওয়ার পর, তিনজনই একযোগে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। শনিবার যন্তরমন্তর ও আশেপাশের গোটা এলাকাকে দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করেছিল দিল্লি পুলিশ। রবিবার সকালে,দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ স্টেশনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হয় অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে। এক বছর কোনও শান্তিভঙ্গ করা যাবে না, এই শর্তে এবং ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দেন ম্যাজিস্ট্রেট।
জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা চেয়ে ককরোচ পার্টির আন্দোলনে যন্তরমন্তরের ধারে কাছে কাউকে ঘেঁষতে দেয়নি দিল্লি পুলিশ। তবে কনট প্লেস-সহ কিছু জায়গায় দফায় দফায় বিক্ষোভ হয়। চলে ধরপাকড়। ১৬৩ ধারার আওতার বাইরে থাকা এলাকায় শান্তিপূর্ণ জমায়েত করলে বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না বলে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। অন্যদিকে, মুক্ত হয়েই নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করেন ককরোচ পার্টির তিন শীর্ষ নেতা। তুলনা করেন জরুরি অবস্থার সঙ্গে। ১ কিলোমিটার ব্যারিকেডেই জরুরি অবস্থা ? পাল্টা প্রশ্ন তোলে বিজেপি।
